প্রশ্নের বর্ণনা

a ১৮৬২ সালে
b ১৮৬৫ সালে
c ১৮৬৭ সালে
d ১৮৬৮ সালে
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: খ) ১৮৬৫ সালে কেন সঠিক: বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় বাংলা উপন্যাসের জনক হিসেবে পরিচিত এবং তাঁর সাহিত্যিক জীবনের প্রথম আত্মপ্রকাশ ঘটে এই ঐতিহাসিক উপন্যাসটির মাধ্যমে। এই গ্রন্থটি প্রকাশের সঙ্গে সঙ্গেই বাংলা কথাসাহিত্যে এক নতুন যুগের সূচনা হয় এবং এটি ব্যাপক জনপ্রিয়তা অর্জন করে। ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা: বাংলা উপন্যাসের ইতিহাসে এই গ্রন্থটি রোমান্টিক ধারার প্রথম সার্থক উপন্যাস হিসেবে বিশেষ মর্যাদার অধিকারী। উপন্যাসের মূল কাহিনীর পটভূমি ছিল ষোড়শ শতাব্দীর মুঘল ও পাঠানদের অধিকার নিয়ে বিরোধ এবং ঐতিহাসিক ঘটনার সঙ্গে কল্পনার অপূর্ব মিশ্রণ। উদাহরণস্বরূপ, এই উপন্যাসের প্রধান চরিত্র ওতোর সিং, তিলোত্তমা এবং বিমলা চরিত্রগুলোর চিত্রায়ন বাংলা সাহিত্যে এক অনন্য নজির স্থাপন করেছিল। বাকি অপশন কেন ভুল: ক) ১৮৬২ সালে — এই সালের সঙ্গে বঙ্কিমচন্দ্রের প্রথম উপন্যাস প্রকাশের কোনো ঐতিহাসিক সংযোগ নেই কারণ তখন তিনি উপন্যাস রচনা শুরু করেননি। খ) ১৮৬৫ সালে — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি ভুল নয় বরং নির্ধারিত সঠিক সালটিই এখানে নির্দেশ করা হয়েছে। গ) ১৮৬৭ সালে — এই সালে বঙ্কিমচন্দ্রের প্রথম উপন্যাস প্রকাশিত হয়নি, তবে তাঁর দ্বিতীয় উপন্যাস কপালকুণ্ডলা প্রকাশিত হয়েছিল। ঘ) ১৮৬৮ সালে — এই সালে তাঁর বিখ্যাত ঐতিহাসিক উপন্যাস মৃণালিনী প্রকাশিত হয়েছিল, যা প্রথম উপন্যাস নয়। মনে রাখার টিপস: বঙ্কিমচন্দ্রের প্রথম উপন্যাস দুর্গেশনন্দিনী ১৮৬৫ সালে প্রকাশিত হয় এবং এর ঠিক দুই বছর পর ১৮৬৭ সালে তাঁর কপালকুণ্ডলা প্রকাশিত হয়। সংখ্যা দুটি মনে রাখার জন্য ১৮৬৫ সালকে ভিত্তি ধরে তার সঙ্গে দুই যোগ করলে পরবর্তী উপন্যাসের প্রকাশের সাল পাওয়া যায়।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0