প্রশ্নের বর্ণনা

a ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
b বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
c শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
d অক্ষয়কুমার দত্ত
0 11 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় ১. কেন সঠিক: - ‘আনন্দমঠ’ বাংলা উপন্যাসের ইতিহাসে একটি যুগান্তকারী রাজনৈতিক উপন্যাস যা ১৮৮২ সালে প্রকাশিত হয়। - বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় এই উপন্যাসে সন্ন্যাসী বিদ্রোহের পটভূমিতে দেশপ্রেম ও জাতীয়তাবাদের অমর বাণী প্রচার করেছেন। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় বাংলা উপন্যাসের জনক হিসেবে পরিচিত এবং তিনি ঊনবিংশ শতকের প্রথমার্ধে বাংলা সাহিত্যকে সমৃদ্ধ করেন। - এই উপন্যাসে বিখ্যাত ‘বন্দে মাতরম’ সংগীতটি রয়েছে যা পরবর্তীতে ভারতের স্বাধীনতা আন্দোলনের প্রধান স্লোগান হিসেবে স্বীকৃতি লাভ করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের ‘কপালকুণ্ডলা’ উপন্যাস। ব্যাখ্যা: এটি লেখকের একটি বিখ্যাত রোমান্টিক উপন্যাস যেখানে মানব মনের জটিল প্রবৃত্তি ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। উদাহরণ ২: বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের ‘দুর্গেশনন্দিনী’ উপন্যাস। ব্যাখ্যা: এটি বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক ঐতিহাসিক উপন্যাস যা ১৮৬৫ সালে প্রকাশিত হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায় — ইনি একজন আধুনিক বাঙালি কথাসাহিত্যিক হলেও ‘আনন্দমঠ’ উপন্যাসের রচয়ীতা নন। B) বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় — এই অপশনটি সঠিক এবং এটি এই প্রশ্নের উত্তর হিসেবে নির্ধারিত। C) শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় — ইনি বিশ শতকের জনপ্রিয় কথাসাহিত্যিক যিনি ‘দেবদাস’ ও ‘শ্রীকান্ত’ উপন্যাসের জন্য বিখ্যাত। D) অক্ষয়কুমার দত্ত — ইনি উনিশ শতকের প্রাবন্ধিক ও তত্ত্ববোধিনী পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন, ঔপন্যাসিক নন। ৫ মনে রাখার টিপস: - বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়কে মনে রাখতে ব অক্ষর দিয়ে বন্দে মাতরম ও আনন্দমঠের সংযোগ মনে রাখা যায়। - ঐতিহাসিক উপন্যাস বললেই বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের নাম প্রথমে মনে করতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - ‘আনন্দমঠ’ উপন্যাসের প্রকাশকাল ১৮৮২ সাল এবং এটি সন্ন্যাসী বিদ্রোহের প্রেক্ষাপটে রচিত। - বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের প্রথম উপন্যাস ‘দুর্গেশনন্দিনী’ এবং শেষ উপন্যাস ‘সীতারাম’।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 181 0 0