প্রশ্নের বর্ণনা

a বেঙ্গল গেজেট
b বঙ্গদর্শন
c জ্ঞানান্বেষণ
d সংবাদ
0 10 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) বঙ্গদর্শন ১. কেন সঠিক: বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় ১৮৭২ সালের এপ্রিল মাসে 'বঙ্গদর্শন' পত্রিকা প্রকাশ ও সম্পাদনা শুরু করেন। এই সাহিত্য পত্রিকার মাধ্যমে বাংলা উপন্যাসের গুণগত মান বৃদ্ধি পায় এবং বঙ্কিমচন্দ্রের অনেক বিখ্যাত উপন্যাস এই পত্রিকাতেই প্রথম প্রকাশিত হয়। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক ঔপন্যাসিক ও সাহিত্যসম্রাট হিসেবে পরিচিত। 'বঙ্গদর্শন' পত্রিকা বাংলা ভাষা ও সাহিত্যের বিকাশে এবং মধ্যবিত্ত সমাজ গঠনে ঐতিহাসিক ভূমিকা পালন করেছিল। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বিষবৃক্ষ ব্যাখ্যা: এটি বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের একটি বিখ্যাত সামাজিক উপন্যাস যা 'বঙ্গদর্শন' পত্রিকায় ধারাবাহিকভাবে প্রকাশিত হয়েছিল। উদাহরণ ২: দুর্গেশনন্দিনী ব্যাখ্যা: এটি বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের প্রথম বাংলা উপন্যাস যা ১৮৬৫ সালে প্রকাশিত হয় এবং বাংলা উপন্যাসের ধারাকে বদলে দেয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বেঙ্গল গেজেট - এটি জেমস অগাস্টিন হিকি কর্তৃক প্রকাশিত প্রথম ইংরেজি সংবাদপত্র, কোনো সাহিত্য পত্রিকা নয় এবং এর সম্পাদক বঙ্কিমচন্দ্র ছিলেন না। B) বঙ্গদর্শন - এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের সম্পাদিত পত্রিকা হিসেবে সম্পূর্ণ প্রাসঙ্গিক ও সঠিক। C) জ্ঞানান্বেষণ - এটি উনিশ শতকের একটি প্রাচীন পত্রিকা এবং এর সাথে বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের কোনো সম্পাদনাগত সম্পর্ক ছিল না। D) সংবাদ - এটি সাধারণ একটি শব্দের অংশ, যা কোনো নির্দিষ্ট ও ঐতিহাসিক পত্রিকার নাম হিসেবে বঙ্কিমচন্দ্রের সাথে যুক্ত নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: বঙ্কিম মানেই বঙ্গদর্শন মনে রাখা সবচেয়ে সহজ কৌশল কারণ বাংলা উপন্যাসের বিকাশে এই পত্রিকার অবদান অপরিসীম। বঙ্গদর্শন পত্রিকার প্রতিষ্ঠাতা ও প্রথম সম্পাদক হিসেবে বঙ্কিমচন্দ্রের নাম প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বারবার আসে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বঙ্গদর্শন পত্রিকা প্রথম প্রকাশিত হয় ১৮৭২ সালে এবং এর প্রথম সংখ্যায় বঙ্কিমচন্দ্রের বিষবৃক্ষ উপন্যাসটি প্রকাশিত হয়। এই ধরনের প্রশ্নে পত্রিকার নাম এবং সম্পাদকের নাম আলাদা করে মনে রাখা প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত জরুরি।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0