প্রশ্নের বর্ণনা

a আনন্দমঠ
b রাজসিংহ
c চন্দশেখর
d রাধারানী
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) আনন্দমঠ ১. কেন সঠিক: - আনন্দমঠ বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের একটি বিখ্যাত রাজনৈতিক ও দেশাত্মবোধক উপন্যাস যা ১৮৮২ সালে প্রকাশিত হয়। - এই উপন্যাসের মূল প্রেক্ষাপট ১৭৭০ সালের ছিয়াত্তরের মন্বন্তর এবং সন্ন্যাসী বিদ্রোহের পটভূমিতে রচিত স্বদেশপ্রেম। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় বাংলা উপন্যাসের জনক হিসেবে সমাদৃত এবং তাঁর প্রথম সার্থক উপন্যাস দুর্গেশনন্দিনী। - আনন্দমঠ উপন্যাসে দেশমাতৃকার মুক্তির জন্য ভারতসন্তানদের আত্মত্যাগের অমর বার্তা প্রচার করা হয়েছে এবং আমাদের জাতীয় সংগীত বন্দে মাতরম এই উপন্যাসের অন্তর্গত। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বিষবৃক্ষ ব্যাখ্যা: এটি বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের একটি সামাজিক উপন্যাস যা মানবজীবনের পরকীয়া প্রেম ও তার পরিণতি নিয়ে রচিত। উদাহরণ ২: দেবী চৌধুরাণী ব্যাখ্যা: এটি বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের রচিত ঐতিহাসিক ও দেশপ্রেমের চেতনাযুক্ত আরেকটি বিখ্যাত উপন্যাস। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) আনন্দমঠ — এটি দেশাত্মবোধক উপন্যাস হওয়ায় প্রশ্নটির সঠিক উত্তর। B) রাজসিংহ — এটি বঙ্কিমচন্দ্রের ঐতিহাসিক উপন্যাস যা রাজস্থান ও ঔরঙ্গজেবের বিরোধের পটভূমিতে রচিত। C) চন্দশেখর — এটি একটি প্রণয় ও ট্র্যাজেডি নির্ভর রোমান্টিক উপন্যাস, যার মূল বিষয়বস্তু দেশপ্রেম নয়। D) রাধারানী — এটি বঙ্কিমচন্দ্রের একটি ক্ষুদ্র সামাজিক ও করুণ রসাত্মক উপন্যাস। ৫. মনে রাখার টিপস: - বঙ্কিমচন্দ্রের দেশাত্মবোধক উপন্যাস বললে আনন্দমঠ মনে রাখবে, যেখানে বিখ্যাত বন্দে মাতরম গানটি রয়েছে। - উপন্যাসের নাম এবং তার মূল সুর আলাদা করে মনে রাখা প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য জরুরি। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - আনন্দমঠ উপন্যাসের প্রকাশকাল ১৮৮২ সাল এবং এটি সন্ন্যাসী বিদ্রোহের পটভূমিতে রচিত। - বঙ্কিমচন্দ্রের উপন্যাসের শ্রেণিবিভাগ যেমন ঐতিহাসিক, সামাজিক এবং রোমান্টিক প্রশ্ন প্রায়ই পরীক্ষায় আসে।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0