প্রশ্নের বর্ণনা

a ছিয়াত্তরের মন্বন্তর
b ধর্মীয় পুরোহিতদের সুখ দুঃখ
c তৎকালীন ভারতীয় হিন্দু সমাজের ধর্মীয় সংস্কার
d উপরের কোনটিই নয়
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ছিয়াত্তরের মন্বন্তর ১. কেন সঠিক: - আনন্দমঠ উপন্যাসের মূল পটভূমি বা বিষয়বস্তু হলো বঙ্গাব্দ ১১৭৬ সালের ভয়াবহ দুর্ভিক্ষ বা ছিয়াত্তরের মন্বন্তর। - এই উপন্যাসে ব্রিটিশ শাসন ও সন্ন্যাসী বিদ্রোহের ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপটে দেশপ্রেমের জাগরণ ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় বাংলা উপন্যাসের জনক হিসেবে পরিচিত এবং তিনি ঊনবিংশ শতকের একজন প্রখ্যাত সাহিত্যিক। - আনন্দমঠ উপন্যাসটি ১৮৮২ সালে প্রকাশিত হয় এবং এতেই আমাদের জাতীয় সংগীত বন্দে মাতরম গানটি প্রথম অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছিল। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের প্রথম উপন্যাস দুর্গেশনন্দিনী ১৮৬৫ সালে প্রকাশিত হয়। ব্যাখ্যা: এই ঐতিহাসিক রোমান্সধর্মী উপন্যাসের মাধ্যমে বাংলা সাহিত্যে সার্থক উপন্যাসের ধারা শুরু হয়েছিল। উদাহরণ ২: বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের সাম্য গ্রন্থটি ১৮৭৯ সালে প্রকাশিত হয়। ব্যাখ্যা: এটি একটি সমাজচিন্তামূলক ও মননশীল প্রবন্ধগ্রন্থ যেখানে সমসাময়িক সমাজের নানা বৈষম্য আলোচিত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ছিয়াত্তরের মন্বন্তর — এটি আনন্দমঠ উপন্যাসের মূল বিষয়বস্তু হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক। B) ধর্মীয় পুরোহিতদের সুখ দুঃখ — উপন্যাসের মূল বিষয় ধর্মীয় পুরোহিতদের ব্যক্তিগত সুখ দুঃখ নয়, বরং দেশপ্রেম ও সন্ন্যাসী বিদ্রোহ। C) তৎকালীন ভারতীয় হিন্দু সমাজের ধর্মীয় সংস্কার — উপন্যাসটি ধর্মীয় সংস্কার নিয়ে নয়, বরং রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট ও দুর্ভিক্ষের ওপর রচিত। D) উপরের কোনটিই নয় — যেহেতু অপশন এ সঠিক, তাই এই অপশনটি গ্রহণযোগ্য নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - বঙ্কিমের আনন্দমঠ উপন্যাসের সাল মনে রাখতে ছিয়াত্তর সংখ্যাটি মনে রাখবে। - বন্দে মাতরম গানটি আনন্দমঠ উপন্যাসের অংশ, এটি বিসিএস পরীক্ষার জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - আনন্দমঠ উপন্যাসের প্রধান চরিত্র জীবনানন্দ ও শান্তি। - একই লেখকের দেবী চৌধুরাণী এবং সীতারাম উপন্যাসের ঐতিহাসিক পটভূমিও ভালোভাবে অধ্যয়ন করবে।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0