প্রশ্নের বর্ণনা

a বিষবৃক্ষ
b আনন্দমঠ
c কপালকুণ্ডলা
d মৃণালিনী
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) বিষবৃক্ষ ১. কেন সঠিক: - বিষবৃক্ষ উপন্যাসটি বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় রচিত একটি বিখ্যাত সামাজিক ও গার্হস্থ্যধর্মী উপন্যাস যা উনিশ শতকের বাঙালি সমাজের পারিবারিক জীবন ও পরকীয়া প্রেমের পরিণতি তুলে ধরে। - গার্হস্থ্যধর্মী বলতে পারিবারিক জীবন, স্বামী-স্ত্রীর সম্পর্ক এবং সমাজের নৈতিক অনুশাসনকে কেন্দ্র করে রচিত উপন্যাসকে বোঝায়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় বাংলা উপন্যাসের জনক হিসেবে পরিচিত এবং তাঁর প্রথম সার্থক উপন্যাস দুর্গেশনন্দিনী। - বিষবৃক্ষ উপন্যাসে নগেন্দ্র, সূর্যমুখী এবং কুন্দনন্দিনীর ত্রিকোণ প্রেম ও তার করুণ পরিণতি ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের কৃষ্ণকান্তের উইল ব্যাখ্যা: এটিও একটি গার্হস্থ্যধর্মী ও সমাজজীবনের পরকীয়া প্রেমের ওপর আধারিত বিখ্যাত উপন্যাস। উদাহরণ ২: বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের গৃহদাহ (সঠিক নয়, এটি শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের উপন্যাস) ব্যাখ্যা: শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের গার্হস্থ্য ও সামাজিক উপন্যাসের একটি উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত গৃহদাহ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বিষবৃক্ষ — এটি বঙ্কিমচন্দ্রের গার্হস্থ্যধর্মী উপন্যাস হওয়ায় এটি সঠিক উত্তর। B) আনন্দমঠ — এটি বঙ্কিমচন্দ্র রচিত একটি ঐতিহাসিক ও দেশপ্রেমমূলক রাজনৈতিক উপন্যাস, গার্হস্থ্যধর্মী নয়। C) কপালকুণ্ডলা — এটি বঙ্কিমচন্দ্র রচিত একটি রোমান্সধর্মী ও ঐতিহাসিক পটভূমির উপন্যাস। D) মৃণালিনী — এটি বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের প্রথম ঐতিহাসিক উপন্যাস, যা গার্হস্থ্যধর্মী নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - বঙ্কিমচন্দ্রের সামাজিক বা গার্হস্থ্য উপন্যাস মনে রাখার সূত্র হলো বিষবৃক্ষ ও কৃষ্ণকান্তের উইল পরিবার কেন্দ্রিক গল্প। - ইতিহাস বা রোমাঞ্চের বাইরে এই দুটি উপন্যাস সমাজ ও সংসারের নানা জটিলতা নিয়ে আলোচনা করে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের বিষবৃক্ষ উপন্যাসটি প্রথম প্রকাশিত হয় ১৮৭৩ সালে। - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বঙ্কিমচন্দ্রের উপন্যাসগুলোকে সামাজিক, ঐতিহাসিক এবং রোমান্সধর্মী এই তিন শ্রেণীতে ভাগ করে পড়তে হয়।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0