প্রশ্নের বর্ণনা

a ইন্দিরা
b সীতারাম
c মৃণালিনী
d শকুন্তলা
0 11 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) শকুন্তলা ১. কেন সঠিক: শকুন্তলা গ্রন্থটি বাংলা গদ্যসাহিত্যের জনক ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর কর্তৃক রচিত। বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের অমর ঔপন্যাসিক খ্যাতির বিপরীতে এটি ভিন্ন লেখকের রচনা হওয়ায় সঠিক উত্তর শকুন্তলা। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় বাংলা উপন্যাসের জনক এবং বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক ঔপন্যাসিক। তাঁর হাতেই বাংলা উপন্যাস রোমান্টিকতা ও ঐতিহাসিক ধারায় পূর্ণতা লাভ করে এবং তাঁর রচিত চৌদ্দটি উপন্যাস বাংলা সাহিত্যে বিশেষ স্থান দখল করে আছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বিষবৃক্ষ ব্যাখ্যা: এটি বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় রচিত একটি বিখ্যাত সামাজিক উপন্যাস। উদাহরণ ২: কপালকুণ্ডলা ব্যাখ্যা: এটি বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় রচিত একটি সার্থক রোমান্সধর্মী উপন্যাস। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ইন্দিরা — এটি বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় রচিত একটি বিখ্যাত ছোট আকারের উপন্যাস। B) সীতারাম — এটি বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় রচিত একটি ঐতিহাসিক উপন্যাস ও তাঁর শেষ উপন্যাস। C) মৃণালিনী — এটি বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় রচিত ঐতিহাসিক পটভূমির একটি জনপ্রিয় উপন্যাস। D) শকুন্তলা — এটি বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের রচিত নয়, বরং ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর রচিত একটি বিখ্যাত অনুবাদ গ্রন্থ। ৫ মনে রাখার টিপস: বঙ্কিমচন্দ্রের উপন্যাসগুলো মনে রাখার সহজ কৌশল হলো তাঁর ঐতিহাসিক ও সামাজিক উপন্যাসগুলোর নাম বারবার চর্চা করা। বিদ্যাসাগরের সীতার বনবাস ও শকুন্তলা গ্রন্থ দুটি অনুবাদ সাহিত্য হিসেবে আলাদা করে মনে রাখা যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের উপন্যাস এবং ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের গদ্যগ্রন্থ থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। কোনটি উপন্যাস আর কোনটি অনুবাদ গ্রন্থ, তা আলাদা করতে লেখকের নাম ও রচনার ধরন ভালোভাবে পড়তে হবে।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 181 0 0