প্রশ্নের বর্ণনা

a কাজী নজরুল ইসলাম
b মোহাম্মদ বরকতউল্লাহ
c বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
d মোহাম্মদ লুৎফর রহমান
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় ১. কেন সঠিক: - ‘সাম্য’ গ্রন্থটির রচয়িতা বাংলা উপন্যাসের জনক বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়। - এটি মূলত তাঁর রচিত একটি বিখ্যাত প্রবন্ধগ্রন্থ, যা ১৮৭৯ সালে প্রকাশিত হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক ঔপন্যাসিক ও প্রবন্ধকার। - ‘সাম্য’ গ্রন্থে তিনি সমাজে নারী অধিকার, শ্রমজীবী মানুষের বঞ্চনা এবং সামাজিক বৈষম্যের বিরুদ্ধে জোরালো বক্তব্য তুলে ধরেছেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের প্রবন্ধগ্রন্থ ‘কমলাকান্তের দপ্তর’। ব্যাখ্যা: এটি তাঁর একটি বিখ্যাত রম্য ও সমাজবিশ্লেষণমূলক প্রবন্ধগ্রন্থ। উদাহরণ ২: বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের উপন্যাস ‘দুর্গেশনন্দিনী’। ব্যাখ্যা: এটি বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক রোমান্টিক ঐতিহাসিক উপন্যাস। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কাজী নজরুল ইসলাম — তিনি জাতীয় কবি হলেও ‘সাম্য’ গ্রন্থের রচয়িতা নন, তবে তাঁর ‘সাম্যবাদী’ নামে একটি বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ রয়েছে। B) মোহাম্মদ বরকতউল্লাহ — তিনি একজন প্রখ্যাত সাহিত্যিক ও গবেষক হলেও এই গ্রন্থটির রচয়িতা নন। C) বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় — এটি সঠিক উত্তর, কারণ তিনি ১৮৭৯ সালে ‘সাম্য’ প্রবন্ধগ্রন্থটি রচনা করেছিলেন। D) মোহাম্মদ লুৎফর রহমান — তিনি মূলত একজন সমাজসংস্কারক ও লেখক হলেও ‘সাম্য’ গ্রন্থের সঙ্গে তাঁর কোনো সম্পর্ক নেই। ৫. মনে রাখার টিপস: - বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের উপন্যাস বা প্রবন্ধ মনে রাখার জন্য মনে রাখতে পারো যে তিনি ‘সাম্য’ নামের একটি গুরুত্বপূর্ণ সামাজিক প্রবন্ধও লিখেছেন। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস বা অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই বিখ্যাত লেখকগণের প্রবন্ধগ্রন্থ ও কাব্যগ্রন্থের নাম নিয়ে প্রশ্ন আসে, যেমন ‘সাম্য’ প্রবন্ধটি বঙ্কিমচন্দ্রের এবং ‘সাম্যবাদী’ কাব্যটি নজরুলের।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0