প্রশ্নের বর্ণনা

a গোলাম মোস্তফা
b ফররুখ আহমদ
c ভাই গিরীশচন্দ্র সেন
d সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ভাই গিরীশচন্দ্র সেন ১. কেন সঠিক: সম্পূর্ণ পবিত্র কোরআনের প্রথম বাংলা অনুবাদক হলেন ভাই গিরীশচন্দ্র সেন। তিনি ১৮৮১ থেকে ১৮৮৬ সালের মধ্যে দীর্ঘ পাঁচ বছর ধরে আরবি মূল থেকে পবিত্র কোরআনের প্রথম বাংলা অনুবাদ সম্পন্ন ও প্রকাশ করেন। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: ভাই গিরীশচন্দ্র সেন ছিলেন ব্রাহ্ম সমাজের একজন বিশিষ্ট প্রচারক ও গবেষক। তিনি শুধু কোরআন শরিফই নন, ইসলাম ধর্মের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ গ্রন্থ বাংলায় অনুবাদ করে হিন্দু ও মুসলিম সমাজের মধ্যে সেতুবন্ধন তৈরি করেছিলেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: কুরআনে মজিদ ব্যাখ্যা: এটি ভাই গিরীশচন্দ্র সেনের করা পবিত্র কোরআনের প্রথম পূর্ণাঙ্গ বাংলা অনুবাদের গ্রন্থরূপ। উদাহরণ ২: তপন কার্য ব্যাখ্যা: এটি গিরীশচন্দ্র সেনের অপর একটি বিখ্যাত রচনা যা তার বহুমুখী পাণ্ডিত্যের পরিচয় বহন করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) গোলাম মোস্তফা — ইনি একজন বিশিষ্ট কবি ও সাহিত্যিক হলেও পবিত্র কোরআনের প্রথম পূর্ণাঙ্গ বাংলা অনুবাদক নন। B) ফররুখ আহমদ — ইনি বিখ্যাত পাকিস্তানি ও বাঙালি কবি, যিনি মুসলিম রেনেসাঁর কবিদলে পরিচিত হলেও প্রথম কোরআন অনুবাদক নন। C) ভাই গিরীশচন্দ্র সেন — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে। D) সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায় — ইনি একজন বিশ্বখ্যাত ভাষাবিজ্ঞানী ও গবেষক, কোরআন অনুবাদের সঙ্গে তিনি যুক্ত ছিলেন না। ৫ মনে রাখার টিপস: গিরীশচন্দ্র সেন নামটি মনে রাখলেই বোঝা যায় তিনি একজন ধর্ম প্রচারক ছিলেন যিনি প্রথম কোরআনের বাণী বাংলায় পৌঁছে দিয়েছিলেন। ব্রক্ষসমাজের ভাই উপাধিধারী এই ব্যক্তিত্ব ইসলামের পবিত্রগ্রন্থ অনুবাদ করে ইতিহাস গড়েছেন। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এই প্রশ্নটি বারবার আসে যে প্রথম কোরআনের অনুবাদক কে। অনুবাদকের নাম গিরীশচন্দ্র সেন এবং তার ধর্মীয় পরিচয় ব্রাহ্ম সমাজ, এই তথ্যগুলো মনে রাখা আবশ্যক।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 181 0 0