প্রশ্নের বর্ণনা

a জমিদার দর্পণ
b নীলদর্পণ
c জনা
d প্রফুল্ল
0 12 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) নীলদর্পণ ১. কেন সঠিক: তোরাপ চরিত্রটি দীনবন্ধু মিত্রের বিখ্যাত নীলদর্পণ নাটকের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও প্রতিবাদী চরিত্র। নীলকর সাহেবদের নির্মম অত্যাচারের বিরুদ্ধে তোরাপ অস্ত্র ধারণ করেছিল এবং নির্যাতিত কৃষকদের পক্ষে অবস্থান নিয়েছিল। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: বাংলা নাট্যসাহিত্যে নীলদর্পণ একটি ঐতিহাসিক নাটক যা ১৮৬০ সালে ঢাকা থেকে প্রকাশিত হয়। এই নাটকের রচয়িতা দীনবন্ধু মিত্র এবং এটি মূলত নীলকর সাহেবদের বিরুদ্ধে বাংলার কৃষকদের অবর্ণনীয় নির্যাতন ও প্রতিবাদের চিত্র তুলে ধরে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: তোরাপ চরিত্রটি নীলকর সাহেবের গোমস্তা ও পেয়াদাদের বিরুদ্ধে গ্রামীণ কৃষকদের সাহসিকতার প্রতীক। ব্যাখ্যা: এই চরিত্রটির মাধ্যমে নাট্যকার নীলদর্পণে সাধারণ মানুষের প্রতিবাদী চেতনা ফুটিয়ে তুলেছেন। উদাহরণ ২: নীলদর্পণ নাটকে তোরাপ ছাড়াও সাধুচরণ, ক্ষেত্রময়ী ও প্রবীন চরিত্রগুলো অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ব্যাখ্যা: এই চরিত্রগুলো তৎকালীন নীলকর চাষের ভয়াবহ সামাজিক ও পারিবারিক প্রভাব নিখুঁতভাবে তুলে ধরে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) জমিদার দর্পণ — এই নাটকের রচয়িতা মীর মশাররফ হোসেন এবং এর মূল বিষয়বস্তু জমিদারদের অত্যাচার, তাই এটি সঠিক নয়। B) নীলদর্পণ — এই অপশনটি সঠিক কারণ তোরাপ এই নাটকেরই একটি অবিস্মরণীয় বিদ্রোহী চরিত্র। C) জনা — এটি গিরিশচন্দ্র ঘোষের পৌরাণিক নাটক এবং এর মূল চরিত্র জনা, নীলদর্পণের সঙ্গে এর কোনো সম্পর্ক নেই। D) প্রফুল্ল — এটি গিরীশচন্দ্র ঘোষের একটি বিখ্যাত সামাজিক নাটক এবং এর প্রধান চরিত্র প্রফুল্ল ও যোগেশ। ৫ মনে রাখার টিপস: দীনবন্ধু মিত্রের নীলদর্পণ নাটকের চরিত্র মনে রাখতে তোরাপ নামটি বিশেষভাবে মনে রাখবে। নীলদর্পণ নাটক বললেই নীলকর অত্যাচার এবং তোরাপের প্রতিবাদের কথা মাথায় রাখবে। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই নীলদর্পণ নাটকের রচয়িতা এবং এর বিভিন্ন চরিত্র যেমন তোরাপ বা সাধুচরণ সম্পর্কে প্রশ্ন আসে। এই নাটকটি মাইকেল মধুসূদন দত্ত ইংরেজিতে অনুবাদ করেছিলেন দ্য ইন্ডিকো প্লান্টিং মিরর নামে।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0