প্রশ্নের বর্ণনা

a নিবর্তন সন্ধি
b প্রতিবর্তন সন্ধি
c সমাবর্তন সন্ধি
d আবর্তন সন্ধি
0 12 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) আবর্তন সন্ধি ১. কেন সঠিক: সোনালী কাবিন কাব্যগ্রন্থের সনেট বা চতুর্দশপদী কবিতার গঠনরীতি অনুযায়ী প্রথম আট লাইনকে অষ্টক এবং পরবর্তী ছয় লাইনকে ষটক বলা হয়। এই অষ্টক ও ষটকের মাঝামাঝি ফাঁকা অংশ বা ভাব সংযোগের স্থানকে আবর্তন সন্ধি বলা হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: এই প্রশ্নটি মূলত বাংলা সাহিত্যের আধুনিক কবিতার ছন্দ ও রূপ প্রকরণ এবং সনেটের গঠনকাঠামো সম্পর্কিত। সনেট কবিতার প্রথম অংশ অষ্টকে ভাবের প্রবর্তন এবং দ্বিতীয় অংশ ষটকে ভাবের পরিণতি ঘটে এবং এই দুইয়ের সংযোগস্থল আবর্তন সন্ধি নামে পরিচিত। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: আলাওল রচিত পদ্মাবতী কাব্যের বিভিন্ন অংশ এবং আধুনিক সনেট। ব্যাখ্যা: আধুনিক বাংলা সনেটে ভাবের প্রবর্তন ও পরিণতি বোঝার জন্য অষ্টক ও ষটকের এই বিভাজন গুরুত্বপূর্ণ। উদাহরণ ২: কবি আহসান হাবীব বা শামসুর রাহমানের আধুনিক সনেট গুচ্ছ। ব্যাখ্যা: এসব সনেট রচনায় অষ্টক ও ষটকের মাঝখানের আবর্তন সন্ধি দক্ষতার সঙ্গে ব্যবহার করা হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) নিবর্তন সন্ধি — এটি কোনো স্বীকৃত ব্যাকরণগত বা সাহিত্যিক পরিভাষা নয়। B) প্রতিবর্তন সন্ধি — এটি সনেটের গঠনের সঙ্গে সম্পর্কিত কোনো পরিভাষা বা পদ নয়। C) সমাবর্তন সন্ধি — এটি সাধারণত সমাবর্তন অনুষ্ঠান বা শিক্ষা সমাপনী সংক্রান্ত শব্দ। D) আবর্তন সন্ধি — এটি সঠিক পরিভাষা যা সনেটের অষ্টক ও ষটকের ফাঁকা অংশ বোঝাতে ব্যবহৃত হয়। ৫ মনে রাখার টিপস: সনেটের প্রথম আট লাইন অষ্টক এবং পরের ছয় লাইন ষটক, আর এদের মাঝখানের ফাঁকা অংশ হলো আবর্তন সন্ধি। এভাবে মনে রাখতে পারো যে আবর্তন মানে ঘুরে যাওয়া বা ভাবের পরিবর্তন ঘটা। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিসিএস এবং সাহিত্যভিত্তিক প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সনেটের গঠন কাঠামোগত প্রশ্ন প্রায়ই আসে। চতুর্দশপদী কবিতার অংশগুলো ভালোভাবে আয়ত্ত করলে এ ধরনের প্রশ্ন সহজে সমাধান করা যায়।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 181 0 0