প্রশ্নের বর্ণনা

a বীর নীল
b অঙ্গদ
c সুগ্রীব
d রামচন্দ্র
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) বীর নীল ১. কেন সঠিক: মহাকবি মাইকেল মধুসূদন দত্ত রচিত মেঘনাদবধ কাব্যের নবম সর্গে লঙ্কার যুদ্ধের বিভিন্ন বীরদের অবস্থান বর্ণিত হয়েছে। লঙ্কা আক্রান্ত হলে রাবণের পক্ষ থেকে লঙ্কার চারদিকের প্রবেশদ্বার রক্ষার জন্য বীরদের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল এবং পশ্চিম দুয়ারে রক্ষী হিসেবে ছিলেন বীর নীল। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: মেঘনাদবধ কাব্য বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক ও অমিত্রাক্ষর ছন্দে রচিত মহাকাব্য যা ১৮৬১ সালে প্রকাশিত হয়। এই মহাকাব্যটি রামায়ণের কাহিনীর ওপর ভিত্তি করে রচিত হলেও এর মূল আকর্ষণ বা ট্র্যাজেডির নায়ক হলেন লঙ্কার বীর চরিত্র মেঘনাদ বা ইন্দ্রজিৎ। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মেঘনাদবধ কাব্যের প্রথম সর্গের নাম অভিষেক। ব্যাখ্যা: এই সর্গে ইন্দ্রজিতকে লঙ্কার সেনাপতি পদে অভিষিক্ত করার কাহিনী বর্ণনা করা হয়েছে। উদাহরণ ২: মেঘনাদবধ কাব্যের ষষ্ঠ সর্গের নাম বধ। ব্যাখ্যা: এই সর্গে বীর প্রমিলা ও লক্ষ্মণের হাতে মেঘনাদের নিহত হওয়ার মর্মান্তিক ঘটনা ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বীর নীল — এটি সঠিক উত্তর কারণ মহাকাব্যের বর্ণনামতে তিনি পশ্চিম দুয়ারের রক্ষী ছিলেন। B) অঙ্গদ — অঙ্গদ রামচন্দ্রের পক্ষে লঙ্কায় যুদ্ধ করেছিলেন এবং তিনি লঙ্কার কোনো দুয়ারের রক্ষী ছিলেন না। C) সুগ্রীব — সুগ্রীব রামের পক্ষে বানর সেনার প্রধান ছিলেন এবং তিনি রাবণের লঙ্কা আক্রমণের অন্যতম প্রধান সহায়ক ছিলেন। D) রামচন্দ্র — রামচন্দ্র ছিলেন লঙ্কা আক্রমণের মূল নায়ক বা প্রধান চরিত্র, কোনো নির্দিষ্ট দুয়ারের রক্ষী নন। ৫. মনে রাখার টিপস: পশ্চিমের নীল আকাশ বা নীল দিগন্ত কথাটি মনে রাখলে পশ্চিম দুয়ারের রক্ষী হিসেবে বীর নীলের নাম সহজে মনে রাখা যায়। মহাকাব্যের চরিত্রগুলোর দিক বিন্যাস মনে রাখতে সর্গভিত্তিক যুদ্ধের প্রস্তুতি অংশটি একবার পড়ে নিতে পারো। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: মেঘনাদবধ কাব্যের সর্গ সংখ্যা নয়টি এবং এতে কোনো মিল বা অন্ত্যমিল নেই কারণ এটি অমিত্রাক্ষর ছন্দে রচিত। বিসিএস বা অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় মহাকাব্যের বিভিন্ন চরিত্র ও তাদের অবস্থান থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0