প্রশ্নের বর্ণনা

a ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত
b জীবনানন্দ দাস
c মধুসূদন দত্ত
d কায়কোবাদ
0 12 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) মধুসূদন দত্ত ১. কেন সঠিক: মাইকেল মধুসূদন দত্তকে বাংলা সাহিত্যের আধুনিকতার প্রবক্তা ও জাগরণের কবি বলা হয় কারণ তিনি বাংলা কবিতায় অমিত্রাক্ষর ছন্দ এবং সনেটের প্রবর্তন করে এক বিপ্লব ঘটিয়েছিলেন। মধ্যযুগের গণ্ডি পেরিয়ে বাংলা সাহিত্যকে বিশ্বসাহিত্যের মানে উন্নীত করার ক্ষেত্রে তাঁর অবদান অপরিসীম হওয়ায় তাকে নবজাগরণের অগ্রদূত বা জাগরণের কবি বলা হয়। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: মাইকেল মধুসূদন দত্ত ১৮২৪ সালের ২৫ জানুয়ারি যশোরে জন্মগ্রহণ করেন এবং ১৮৭৩ সালের ২৯ জুন মৃত্যুবরণ করেন। তিনি বাংলা কাব্যে সনেট ও অমিত্রাক্ষর ছন্দের সফল প্রবর্তক এবং তাঁর বিখ্যাত মহাকাব্য মেঘনাদবধ কাব্য বাংলা সাহিত্যের এক অনন্য সৃষ্টি। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: তিলোমভবা সম্ভব কাব্য ব্যাখ্যা: এটি মাইকেল মধুসূদন দত্তের রচিত একটি বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ যা তাঁর সাহিত্যকর্মের প্রাচুর্য প্রকাশ করে। উদাহরণ ২: কৃষ্ণকুমারী নাটক ব্যাখ্যা: এটি মাইকেল মধুসূদন দত্তের রচিত বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক ট্র্যাজেডি নাটক। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত — তিনি যুগের সন্ধিক্ষণের কবি হিসেবে পরিচিত এবং প্রাচীন ও আধুনিক যুগের মধ্যে সেতুবন্ধনকারী হিসেবে খ্যাত। B) জীবনানন্দ দাস — তাঁকে আধুনিক বাংলা কবিতার রূপসী বাংলার কবি এবং নির্জনতার কবি বলা হয়। D) কায়কোবাদ — তিনি বাংলা মহাকাব্যের ধারার একজন বিশিষ্ট কবি এবং মহাশ্মশান তাঁর বিখ্যাত মহাকাব্য। ৫ মনে রাখার টিপস: মধুসূদন দত্ত নতুন ধারা বা জাগরণ এনেছিলেন বলে তাঁকে জাগরণের কবি বলা হয়। আধুনিক বাংলা কবিতার প্রথম বিদ্রোহী ও পথপ্রদর্শক হিসেবে তাঁর নাম মনে রাখতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় উপাধি থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে যেমন ছদ্মনাম বা বিশেষ উপাধি। কবিদের বিভিন্ন উপাধি যেমন ভোরের পাখি, ছান্দসিক বা বিদ্রোহী কবি ভালোভাবে মুখস্থ রাখতে হবে।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 181 0 0