প্রশ্নের বর্ণনা

a অমিত্রাক্ষর
b মাত্রাবৃত্ত
c অক্ষরবৃত্ত
d গদ্য কবিতা
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) অমিত্রাক্ষর ১. কেন সঠিক: - বীরাঙ্গনা কাব্যটি মাইকেল মধুসূদন দত্ত রচিত বাংলা সাহিত্যের প্রথম পত্রকাব্য। - এই কাব্যে কবি প্রচলিত অন্ত্যমিলযুক্ত ছন্দের পরিবর্তে অমিত্রাক্ষর ছন্দ সফলভাবে প্রয়োগ করেছেন। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বীরাঙ্গনা কাব্যটি ১৮৬৯ সালে প্রকাশিত হয় এবং এতে মোট একোটি পত্র বা কবিতা রয়েছে। - এই কাব্যটি পৌরাণিক কাহিনীর ওপর ভিত্তি করে রচিত যেখানে নারী চরিত্রগুলো নিজেদের মনের কথা ও অভিমান প্রকাশ করেছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মেঘনাদবধ কাব্য ব্যাখ্যা: মাইকেল মধুসূদন দত্তের এই মহাকাব্যটিও অমিত্রাক্ষর ছন্দে রচিত বাংলা সাহিত্যের একটি অমূল্য সম্পদ। উদাহরণ ২: তিলোত্তমা সম্ভব কাব্য ব্যাখ্যা: এটি মাইকেল মধুসূদন দত্তের প্রথম কাব্য যা অমিত্রাক্ষর ছন্দে রচিত হয়েছিল। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) অমিত্রাক্ষর — এটি সঠিক কারণ বীরাঙ্গনা কাব্য অমিত্রাক্ষর ছন্দে রচিত। B) মাত্রাবৃত্ত — এই ছন্দ দলবৃত্ত বা স্বরবৃত্তের মতো পদের মাত্রার ওপর নির্ভর করে যা বীরাঙ্গনার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়। C) অক্ষরবৃত্ত — এটি পয়ার বা কল্যাণ ছন্দ নামেও পরিচিত কিন্তু বীরাঙ্গনায় অমিত্রাক্ষর ছন্দ ব্যবহার করা হয়েছে। D) গদ্য কবিতা — রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের হাতে গদ্য কবিতার বিকাশ ঘটেছিল যা ঊনবিংশ শতাব্দীর বীরাঙ্গনা কাব্যের ছন্দের সাথে মেলে না। ৫ মনে রাখার টিপস: - মধুসূদন দত্ত মানেই অমিত্রাক্ষর ছন্দ এবং তার বীরাঙ্গনা কাব্যও এর ব্যতিক্রম নয়। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বীরাঙ্গনা কাব্যটি বাংলা সাহিত্যের প্রথম পত্রকাব্য এবং এটি অমিত্রাক্ষর ছন্দের অনন্য নিদর্শন।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0