প্রশ্নের বর্ণনা

a ৮২টি
b ৯২টি
c ১০২টি
d ১১৪টি
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ১০২টি ১. কেন সঠিক: মাইকেল মধুসূদন দত্ত বাংলা সাহিত্যে প্রথম সনেট বা চতুর্দশপদী কবিতা প্রবর্তন করেন। তাঁর এই বিখ্যাত 'চতুর্দশপদী কবিতাবলী' গ্রন্থে মোট ১০২টি সনেট বা চতুর্দশপদী কবিতা রয়েছে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: মহাকবি মাইকেল মধুসূদন দত্ত বাংলা কাব্যে সনেটের প্রবক্তা এবং তিনি মূলত ইতালীয় পেট্রার্কীয় রীতির সনেট বাংলায় সার্থকভাবে প্রয়োগ করেন। ফ্রান্সে প্রবাসকালে তিনি পেট্রার্কের সনেট দ্বারা অনুপ্রাণিত হয়ে এই কাব্যগ্রন্থটি রচনা করেন এবং এটি প্রকাশিত হয় ১৮৬৬ সালে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বঙ্গভাষা ব্যাখ্যা: এটি মধুসূদনের চতুর্দশপদী কবিতাবলী গ্রন্থের অন্যতম শ্রেষ্ঠ এবং বহুল পঠিত একটি সনেট কবিতা। উদাহরণ ২: কব্জি ব্যাখ্যা: চতুর্দশপদী কবিতাবলী গ্রন্থে বিভিন্ন ঐতিহাসিক ও পৌরাণিক চরিত্র নিয়ে একাধিক সনেট রচিত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৮২টি — এই সংখ্যাটি মধুসূদনের চতুর্দশপদী কবিতার মোট সংখ্যার সঙ্গে মিলে না, এটি একটি ভুল তথ্য। B) ৯২টি — এটিও একটি ভুল সংখ্যা এবং কাব্যগ্রন্থটির প্রকৃত সনেট সংখ্যার চেয়ে কম। D) ১১৪টি — এই সংখ্যাটি ভুল, কারণ কাব্যটিতে মোট ১০২টি সনেট রয়েছে, ১১৪টি নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: মধুসূদনের চতুর্দশপদী কবিতাবলীতে মোট সনেট ১০২টি, এভাবে মনে রাখতে পারো যে ১০০-এর সাথে মাত্র ২ যোগ করলে সঠিক সংখ্যাটি পাওয়া যায়। সনেট রচনার ক্ষেত্রে চরণের সংখ্যা চৌদ্দটি এবং পুরো গ্রন্থে কবিতার সংখ্যা ১০২টি। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বাংলা সাহিত্যে সনেটের জনক মাইকেল মধুসূদন দত্ত এবং তাঁর প্রথম সনেট সংকলন হলো চতুর্দশপদী কবিতাবলী। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই এই গ্রন্থের সনেট সংখ্যা বা প্রকাশের সাল সংক্রান্ত প্রশ্ন আসে।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0