প্রশ্নের বর্ণনা

a ১৮৬০ সালে
b ১৮৬১ সালে
c ১৮৬২ সালে
d ১৮৬৩ সালে
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ১৮৬১ সালে ১. কেন সঠিক: মাইকেল মধুসূদন দত্ত রচিত বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক মহাকাব্য 'মেঘনাদবধ কাব্য' প্রকাশিত হয় ১৮৬১ সালে। এই মহাকাব্যটি বাংলা সাহিত্যে অমিত্রাক্ষর ছন্দের প্রথম সার্থক প্রয়োগ এবং রামায়ণের কাহিনীর নতুন রূপায়ণ হিসেবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: মহাকাব্যের রচয়িতা মাইকেল মধুসূদন দত্ত আধুনিক বাংলা কবিতার জনক ও অমিত্রাক্ষর ছন্দের প্রবর্তক। এই মহাকাব্যটি মোট নয়টি সর্গে বিভক্ত এবং এর মূল উৎস বাল্মীকি রামায়ণ হলেও এখানে রাক্ষসরাজ রাবণ ও মেঘনাদের চরিত্র ট্র্যাজিক বীর হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: তিলোত্তমা সম্ভব কাব্য (১৮৬০) ব্যাখ্যা: এটি মাইকেল মধুসূদন দত্তের প্রথম কাব্যগ্রন্থ যা মেঘনাদবধ কাব্য প্রকাশের ঠিক এক বছর আগে প্রকাশিত হয়। উদাহরণ ২: বীরাঙ্গনা কাব্য (১৮৬২) ব্যাখ্যা: এটি মধুসূদন দত্তের একটি পত্রকাব্য যা মেঘনাদবধ কাব্য প্রকাশের পরের বছর প্রকাশিত হয়েছিল। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৮৬০ সালে — এই সালে মাইকেল মধুসূদন দত্তের প্রথম কাব্যগ্রন্থ তিলোত্তমা সম্ভব কাব্য প্রকাশিত হয়েছিল, মেঘনাদবধ কাব্য নয়। B) ১৮৬১ সালে — এই অপশনটি সঠিক কারণ এই সালেই মহাকাব্যটির প্রথম অংশ প্রকাশিত হয়। C) ১৮৬২ সালে — এই সালে মধুসূদন দত্তের পত্রকাব্য বীরাঙ্গনা কাব্য এবং ব্রজাঙ্গনা কাব্য প্রকাশিত হয়েছিল। D) ১৮৬৩ সালে — এই সালে মধুসূদন দত্তের পদ্মাবতী নাটক বা বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে বিশেষ কোনো কাব্য প্রকাশের তথ্য নেই। ৫ মনে রাখার টিপস: মধুসূদন দত্ত ১৮৬০ সালে তিলোত্তমা সম্ভব কাব্য লিখে পরের বছর অর্থাৎ ১৮৬১ সালে তাঁর মহাকাব্য মেঘনাদবধ কাব্য প্রকাশ করেন। এভাবে সালগুলো ক্রমানুসারে মনে রাখা সহজ। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বাংলা সাহিত্যের প্রথম মহাকাব্য কোনটি এবং এর রচয়িতা কে, এই প্রশ্নটি প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বারবার আসে। এছাড়াও মহাকাব্যের সর্গ সংখ্যা এবং এটি কোন ছন্দে রচিত, তা ভালোভাবে মনে রাখতে হবে।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0