প্রশ্নের বর্ণনা

a মাইকেল মধুসূদন দত্ত
b মীর মশাররফ হোসেন
c কাজী নজরুল ইসলাম
d রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
0 11 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) মাইকেল মধুসূদন দত্ত ১. কেন সঠিক: - সঠিক উত্তরটি সঠিক কারণ এই বিখ্যাত প্রহসনটির রচয়িতা হলেন বাংলা সাহিত্যের প্রথম বিদ্রোহী কবি ও নাট্যকার মাইকেল মধুসূদন দত্ত। - উনিশ শতকের সমাজে বাবুসমাজ ও নব্য ইংরেজিশিক্ষিত যুবকদের অন্ধ পাশ্চাত্য অনুকরণ এবং নৈতিক অবক্ষয় ব্যঙ্গাত্মকভাবে তুলে ধরতে এটি লেখা হয়েছে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - মাইকেল মধুসূদন দত্ত বাংলা নাট্যসাহিত্যের ক্ষেত্রে অমিত্রাক্ষর ছন্দ এবং প্রহসন রচনার এক নতুন ধারার প্রবক্তা ও যুগান্তকারী নাট্যকার। - ১৮৫৯ সালে প্রকাশিত এই প্রহসনটিতে তৎকালীন কলকাতার সমকালীন সমাজের নৈতিক পতন ও পাপাচারের তীব্র সামাজিক সমালোচনা ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বুড়ো সালিকের ঘাড়ে রোঁ ব্যাখ্যা: এটিও মাইকেল মধুসূদন দত্ত রচিত আরেকটি বিখ্যাত প্রহসন যা সমাজের কুসংস্কার ও অনাচার নিয়ে লেখা। উদাহরণ ২: একেই কি বলে সভ্যতা ব্যাখ্যা: এটি নাট্যকার মধুসূদনের সামাজিক প্রহসনধর্মী রচনার একটি উজ্জ্বল ও অনন্য দৃষ্টান্ত। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) মাইকেল মধুসূদন দত্ত — এই অপশনটি সঠিক কারণ তিনি এই প্রহসনের সফল ও প্রখ্যাত রচয়িতা। B) মীর মশাররফ হোসেন — এই অপশনটি ভুল কারণ তিনি বিশদভাবে বিষাদসিন্ধু ও জামিদার দর্পণ রচনা করলেও এই প্রহসন লেখেননি। C) কাজী নজরুল ইসলাম — এই অপশনটি ভুল কারণ তিনি আধুনিক যুগের বিদ্রোহী কবি ও নাট্যকার হলেও এই গ্রন্থের লেখক নন। D) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর — এই অপশনটি ভুল কারণ তিনি নোবেলজয়ী সাহিত্যিক হলেও এই প্রহসনটি তাঁর কোনো সাহিত্যকর্ম নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - মধুসূদন দত্ত মূলত দুটি প্রহসন লিখেছেন, যার একটি হলো একেই কি বলে সভ্যতা এবং অন্যটি বুড়ো সালিকের ঘাড়ে রোঁ। - প্রহসন দুটি মনে রাখলে এই ধরনের প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় উত্তর করা খুব সহজ হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই বাংলা প্রহসনের রচয়িতা সম্পর্কে প্রশ্ন আসে। - মাইকেল মধুসূদন দত্তের প্রহসন ও নাটকের তালিকা আলাদা করে মুখস্থ রাখা চাকরিপ্রার্থীদের জন্য অত্যন্ত জরুরি।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0