প্রশ্নের বর্ণনা

a মাইকেল মধুসূদন দত্ত
b রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
c ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
d বঙ্কিম চট্টোপাধ্যায়
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) মাইকেল মধুসূদন দত্ত ১. কেন সঠিক: বাংলা কাব্যে আধুনিকতার পথিকৃৎ বা জনক হলেন মাইকেল মধুসূদন দত্ত। তিনি বাংলা সাহিত্যে প্রথম অমিত্রাক্ষর ছন্দ এবং সনেট বা চতুর্দশপদী কবিতার সফল প্রবর্তন করেন। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: মাইকেল মধুসূদন দত্ত বাংলা কাব্যজগতে প্রচলিত সনাতন ধারা বা মধ্যযুগীয় পয়ার ছন্দের গণ্ডি ভেঙে পাশ্চাত্য সাহিত্যের আধুনিক চেতনার সফল প্রয়োগ করেন। তাঁর মহাকাব্য 'মেঘনাদবধ কাব্য' বাংলা সাহিত্যে আধুনিকতার এক অনন্য ও শ্রেষ্ঠ নিদর্শন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: তিলোত্তমা সম্ভব কাব্য ব্যাখ্যা: এটি মাইকেল মধুসূদন দত্তের রচিত প্রথম বাংলা কাব্য, যা অমিত্রাক্ষর ছন্দে রচিত প্রথম সার্থক রচনা। উদাহরণ ২: চতুর্দশপদী কবিতাবলী ব্যাখ্যা: এটি মধুসূদন দত্তের সনেট বা চতুর্দশপদী কবিতার সংকলন, যা ইতালীয় পেত্রার্কীয় রীতির অনুসরণে বাংলায় প্রথম রচিত হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) মাইকেল মধুসূদন দত্ত — সঠিক উত্তর কারণ তিনি বাংলা কাব্যে আধুনিকতার সূচনা করেন। B) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর — তিনি বাংলা সাহিত্যকে বিশ্বদরবারে উন্নীত করলেও আধুনিক কাব্যের পথপ্রদর্শক নন, বরং মধুসূদনের পরবর্তী আধুনিকতার পূর্ণ বিকাশকারী। C) ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর — তিনি বাংলা গদ্যের অন্যতম পথকৃৎ ও পন্ডিত হলেও কাব্যজগতে আধুনিকতার পথিকৃৎ নন। D) বঙ্কিম চট্টোপাধ্যায় — তিনি বাংলা উপন্যাসের জনক, কোনোভাবেই কাব্যের আধুনিকতার পথিকৃৎ নন। ৫ মনে রাখার টিপস: মনে রাখুন কাব্য মানেই মধু, আর মধু মানেই আধুনিকতার মধুসূদন দত্ত। উপন্যাসের জনক বঙ্কিম আর কাব্যের আধুনিকতার জনক মাইকেল মধুসূদন। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বাংলা সনেটের প্রবর্তক এবং অমিত্রাক্ষর ছন্দের জনক হিসেবে মাইকেল মধুসূদন দত্তের নাম বারবার বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আসে। তাঁর জন্ম ১৮২৪ সালের ২৫ জানুয়ারি এবং মৃত্যু ১৮৭৩ সালের ২৯ জুন।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0