প্রশ্নের বর্ণনা

a ১৫টি
b ৮টি
c ১২টি
d ৯টি
0 10 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ৯টি ১. কেন সঠিক: 'মেঘনাদবধ কাব্য' বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক মহাকাব্য যার রচয়িতা মহাকবি মাইকেল মধুসূদন দত্ত। এই মহাকাব্যটি মোট নয়টি সর্গে বিভক্ত এবং অমিত্রাক্ষর ছন্দে রচিত হয়েছে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: মহাকবি মাইকেল মধুসূদন দত্ত ১৮৬১ সালে রামায়ণ কাহিনীর ওপর ভিত্তি করে এই মহাকাব্যটি রচনা করেন। রামায়ণের লঙ্কাযুদ্ধের পটভূমিতে রাবণের পুত্র মেঘনাদের বীরত্ব ও করুণ পরিণতি এই কাব্যের মূল বিষয়বস্তু। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: প্রথম সর্গ 'অভিষেক' ব্যাখ্যা: মেঘনাদবধ কাব্যের প্রথম সর্গের নাম অভিষেক যেখানে মেঘনাদকে লঙ্কার সেনাপতি হিসেবে অভিষিক্ত করার ঘটনা রয়েছে। উদাহরণ ২: ষষ্ঠ সর্গ 'বধ' ব্যাখ্যা: এই কাব্যের ষষ্ঠ সর্গের নাম বধ যেখানে রামের পক্ষে লক্ষ্মণের হাতে মেঘনাদের বীরোচিত মৃত্যুর ঘটনা বর্ণিত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৫টি — পনেরো সংখ্যাটি মেঘনাদবধ কাব্যের সর্গ সংখ্যার সঙ্গে মেলে না কারণ এই কাব্যে মোট নয়টি সর্গ রয়েছে। B) ৮টি — আট সংখ্যাটি ভুল কারণ মাইকেল মধুসূদন দত্ত তাঁর এই মহাকাব্যটিকে মোট নয়টি সর্গে বিন্যস্ত করেছিলেন। C) ১২টি — বারো সংখ্যাটি সঠিক নয় কারণ বাংলা সাহিত্যের এই মহাকাব্যে দ্বাদশ বা বারোটি সর্গ নেই। D) ৯টি — এই অপশনটি সঠিক কারণ মেঘনাদবধ কাব্যে সর্গের মোট সংখ্যা হলো নয়টি। ৫ মনে রাখার টিপস: মধুসূদনের নয়টি সর্গের মহাকাব্য মনে রাখতে মেঘনাদবধ শব্দের অক্ষর সংখ্যা বা একটি নির্দিষ্ট ক্রম মনে রাখতে পারো। মহাকাব্যের সর্গ সংখ্যা প্রায়ই বিসিএস পরীক্ষায় আসে তাই এটি ভালোভাবে মুখস্থ রাখা জরুরি। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক মহাকাব্য কোনটি এবং এর রচয়িতা কে তা বারবার প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আসে। অমিত্রাক্ষর ছন্দের প্রবর্তক মাইকেল মধুসূদন দত্ত এবং তাঁর শ্রেষ্ঠ কীর্তি হলো এই মেঘনাদবধ কাব্য।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 181 0 0