প্রশ্নের বর্ণনা

a রামায়ণ
b মহাভারত
c ভগবত
d কুমারসম্ভব
0 12 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) রামায়ণ ১. কেন সঠিক: - মাইকেল মধুসূদন দত্তের মহাকাব্য 'মেঘনাদ বধ' কাব্যের মূল কাহিনী বা উৎস হলো বাল্মীকি রচিত প্রাচীন ভারতীয় মহাকাব্য 'রামায়ণ'। - রামায়ণের লঙ্কাযুদ্ধ অংশের রাবণ বধের উপাখ্যানকে ভিন্ন দৃষ্টিভঙ্গিতে নতুন রূপ দিয়ে কবি এই মহাকাব্য রচনা করেছেন। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - মহাকবি মাইকেল মধুসূদন দত্ত বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক মহাকাব্য 'মেঘনাদ বধ' ১৮৬১ সালে প্রকাশ করেন। - এই কাব্যে তিনি পৌরাণিক চরিত্র রামচন্দ্রকে সাধারণ করে তুললেও লঙ্কার বীর চরিত্র মেঘনাদ বা ইন্দ্রজিৎকে ট্র্যাজিক নায়ক হিসেবে ফুটিয়ে তুলেছেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মাইকেল মধুসূদন দত্তের 'বীরাঙ্গনা কাব্য' ব্যাখ্যা: এটিও পৌরাণিক কাহিনীর ওপর ভিত্তি করে রচিত পত্রকাব্য যার উৎস বিভিন্ন পুরাণ ও মহাকাব্য। উদাহরণ ২: হেমচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়ের 'বৃত্রসংহার' ব্যাখ্যা: এটিও পৌরাণিক কাহিনীর উৎসের ওপর ভিত্তি করে রচিত বাংলা সাহিত্যের একটি বিখ্যাত মহাকাব্য। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) রামায়ণ — এই অপশনটি সঠিক কারণ মেঘনাদ বধ কাব্যের মূল আখ্যান এই গ্রন্থ থেকেই গৃহিত হয়েছে। B) মহাভারত — এই অপশনটি ভুল কারণ মহাভারত ভারতের আরেকটি বিশাল মহাকাব্য হলেও মেঘনাদ বধ এর উৎস নয়। C) ভগবত — এই অপশনটি ভুল কারণ ভগবত পুরাণ মূলত শ্রীকৃষ্ণের লীলা ও ভক্তিধর্মের ওপর রচিত গ্রন্থ। D) কুমারসম্ভব — এই অপশনটি ভুল কারণ কুমারসম্ভব মহাকবি কালিদাসের লেখা একটি সংস্কৃত মহাকাব্য। ৫ মনে রাখার টিপস: - মেঘনাদের বাবা রাবণ রামায়ণ কাহিনীর প্রধান বিরোধী চরিত্র তাই মেঘনাদ বধ কাব্যের উৎস রামায়ণ। - মনে রাখতে হবে মধুসূদন রামায়ণ থেকে উপাদান নিলেও বীরপূজার মাধ্যমে নাট্যরূপ দিয়েছেন। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - মেঘনাদ বধ কাব্য বাংলা সাহিত্যের প্রথম অমিত্রাক্ষর ছন্দে রচিত মহাকাব্য। - মহাকাব্য সম্পর্কিত প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এর উৎস প্রায়ই প্রশ্ন হিসেবে আসে।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 181 0 0