প্রশ্নের বর্ণনা

a বিষাদ সিন্ধু
b তিলোত্তমা
c মেঘনাদ বধ
d দত্তা
0 11 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) মেঘনাদ বধ ১. কেন সঠিক: মাইকেল মধুসূদন দত্ত বাংলা সাহিত্যে অমর হয়ে রয়েছেন তার শ্রেষ্ঠ সাহিত্যকর্ম মেঘনাদ বধ মহাকাব্য রচনার মাধ্যমে। এই মহাকাব্যটি বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক ও পূর্ণাঙ্গ মহাকাব্য হিসেবে সর্বজনস্বীকৃত এবং এর মাধ্যমে তিনি বাংলা কাব্যে অমিত্রাক্ষর ছন্দের সফল প্রবর্তন করেন। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: মাইকেল মধুসূদন দত্ত ১৮২৪ সালে জন্মগ্রহণ করেন এবং ১৮৭৩ সালে মৃত্যুবরণ করেন। মেঘনাদ বধ মহাকাব্যটি ১৮৬১ সালে প্রকাশিত হয় এবং রামায়ণের কাহিনীর বদলে রাবণ ও মেঘনাদের চরিত্রকে মহিমান্বিত করে এর পটভূমি রচিত হয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বীরাঙ্গনা কাব্য ব্যাখ্যা: এটি মাইকেল মধুসূদন দত্তের রচিত একটি পত্রকাব্য, যেখানে পৌরাণিক নারীদের বীরত্ব ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। উদাহরণ ২: কৃষ্ণকুমারী নাটক ব্যাখ্যা: এটি মধুসূদন দত্তের রচিত একটি বিখ্যাত ও প্রথম সার্থক বাংলা ট্র্যাজেডি বা বিয়োগাত্মক নাটক। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বিষাদ সিন্ধু — এটি মীর মশাররফ হোসেনের একটি বিখ্যাত ঐতিহাসিক উপন্যাস, মাইকেল মধুসূদন দত্তের রচনা নয়। B) তিলোত্তমা — এটি মধুসূদন দত্তের রচিত প্রথম কাব্য হলেও এর মাধ্যমে তিনি অমরত্ব লাভ করেননি, অমর হয়েছেন মেঘনাদ বধের জন্য। D) দত্তা — এটি শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের একটি বিখ্যাত সামাজিক উপন্যাস, মাইকেল মধুসূদন দত্তের সাহিত্যকর্ম নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: মধুসূদন দত্তের অমর কীর্তি মনে রাখতে মেঘনাদ বধ কাব্য এবং অমিত্রাক্ষর ছন্দ দুটি শব্দ একসঙ্গে মনে রাখবে। বাংলা সাহিত্যের প্রথম মহাকাব্য হিসেবে মেঘনাদ বধের নাম প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সবচেয়ে বেশি আসে। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: মাইকেল মধুসূদন দত্ত বাংলা সাহিত্যে অমিত্রাক্ষর ছন্দের প্রবর্তক হিসেবে সর্বাধিক পরিচিত। তার সাহিত্যকর্ম সম্পর্কে প্রশ্ন আসলে মহাকাব্য, নাটক ও প্রহসন আলাদা করে মনে রাখতে হবে।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0