প্রশ্নের বর্ণনা

a ১৭৪৩ খ্রিষ্টাব্দে
b ১৮৪৩ খ্রিষ্টাব্দে
c ১৯৪৩ খ্রিষ্টাব্দে
d ১৮৪৪ খ্রিষ্টাব্দে
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ১৮৪৩ খ্রিষ্টাব্দে ১. কেন সঠিক: মহাকবি মাইকেল মধুসূদন দত্ত হিন্দুধর্ম ত্যাগ করে ১৮৪৩ সালের ৯ ফেব্রুয়ারি খ্রিস্টধর্মে দীক্ষিত হন। ধর্ম পরিবর্তনের পর তিনি তাঁর নামের প্রথমে 'মাইকেল' পদবি যুক্ত করেন। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: মাইকেল মধুসূদন দত্ত বাংলা সাহিত্যের প্রথম বিদ্রোহী কবি ও অমিত্রাক্ষর ছন্দের প্রবর্তক। ১৮২৪ সালের ২৫ জানুয়ারি যশোরের কপোতাক্ষ নদের তীরে সাগরদাঁড়ি গ্রামে তিনি জন্মগ্রহণ করেন এবং ১৮৭৩ সালের ২৯ জুন মৃত্যুবরণ করেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মেঘনাদবধ কাব্য ব্যাখ্যা: এটি মাইকেল মধুসূদন দত্তের শ্রেষ্ঠ সাহিত্যকীর্তি এবং বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক মহাকাব্য। উদাহরণ ২: কৃষ্ণকুমারী নাটক ব্যাখ্যা: এটি মধুসূদন দত্তের রচিত প্রথম সার্থক বাংলা ট্র্যাজেডি বা বিয়োগাত্মক নাটক। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৭৪৩ খ্রিষ্টাব্দে — এটি মাইকেল মধুসূদন দত্তের জন্মের অনেক আগের সাল এবং এই সময়ে তাঁর জন্ম হয়নি। B) ১৮৪৩ খ্রিষ্টাব্দে — এটি সঠিক ঐতিহাসিক সাল যখন কবি খ্রিস্টধর্মে দীক্ষিত হন। C) ১৯৪৩ খ্রিষ্টাব্দে — এই সালটি কবির জন্মের একশত বছর পরের এবং তাঁর মৃত্যুর বহু পরের ঘটনা। D) ১৮৪৪ খ্রিষ্টাব্দে — এই সালটি তাঁর খ্রিস্টধর্ম গ্রহণের পরের বছর, যা সঠিক তথ্য নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: মধুসূদন দত্ত ১৮২৪ সালে জন্মগ্রহণ করেন এবং ঠিক তার উনিশ বছর পর ১৮৪৩ সালে খ্রিস্টধর্ম গ্রহণ করেন। জন্মসালের শেষ দুই অঙ্কের সঙ্গে মিল রেখে সালটি সহজে মনে রাখা যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: খ্রিস্টধর্ম গ্রহণের পর তিনি কলকাতার বিশপস কলেজিয়েট স্কুলে পড়াশোনা করেন। একই ধরনের সাহিত্যিক প্রশ্নে কবির জন্ম, মৃত্যু এবং বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থের প্রকাশকাল প্রায়ই প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আসে।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0