প্রশ্নের বর্ণনা

a অষ্টাদশ শতাব্দী
b উনবিংশ শতাব্দী
c বিংশ শতাব্দী
d একবিংশ শতাব্দী
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) উনবিংশ শতাব্দী ১. কেন সঠিক: - মাইকেল মধুসূদন দত্ত ১৮২৪ সালের ২৫ জানুয়ারি জন্মগ্রহণ করেন এবং ১৮৭৩ সালের ২৯ জুন মৃত্যুবরণ করেন। - তাঁর জন্ম ও মৃত্যুর সময়কাল ১৮০১ থেকে ১৯০০ সালের মধ্যে হওয়ায় তিনি উনবিংশ শতাব্দীর মানুষ ছিলেন। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - মাইকেল মধুসূদন দত্ত বাংলা সাহিত্যের আধুনিক যুগের অন্যতম প্রধান কবি ও নাট্যকার। - তিনি বাংলা কাব্যে অমিত্রাক্ষর ছন্দ এবং নাটকে আধুনিকতার প্রবর্তন করেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় ব্যাখ্যা: বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় ১৮৩৮ সালে জন্মগ্রহণ করেন এবং ১৮৯৪ সালে মৃত্যুবরণ করেন, তাই তাঁকেও উনবিংশ শতাব্দীর সাহিত্যিক বলা হয়। উদাহরণ ২: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ব্যাখ্যা: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ১৮৬১ সালে জন্মগ্রহণ করেন এবং ১৯৪১ সালে মৃত্যুবরণ করেন, যা উনবিংশ ও বিংশ শতাব্দী উভয় সময়কালকেই স্পর্শ করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) অষ্টাদশ শতাব্দী — অষ্টাদশ শতাব্দী বলতে ১৭০১ থেকে ১৮০০ সাল বোঝায়, যা মাইকেল মধুসূদন দত্তের জীবনকালের সাথে মিলে না। B) উনবিংশ শতাব্দী — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি গ্রহণযোগ্য। C) বিংশ শতাব্দী — বিংশ শতাব্দী বলতে ১৯০১ থেকে ২০০০ সাল বোঝায়, যা তাঁর জন্ম ও মৃত্যুর পরের সময়কাল। D) একবিংশ শতাব্দী — একবিংশ শতাব্দী বলতে ২০০১ থেকে ২১০০ সাল বোঝায়, যা বর্তমান ও ভবিষ্যৎ সময়কাল নির্দেশ করে। ৫ মনে রাখার টিপস: - ১৮০০ সালের ঘরের সালগুলো উনবিংশ শতাব্দী নির্দেশ করে। মধুসূদন দত্ত ১৮২৪ সালে জন্মেছিলেন, তাই তিনি উনবিংশ শতাব্দীর মানুষ। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - শতাব্দী নির্ণয়ের সময় সাল থেকে শতক বের করার নিয়ম হলো জন্মসাল যে শতকে শুরু তার পরের শতাব্দী ধরা। যেমন ১৮২৪ সাল মানে ঊনবিংশ শতাব্দী।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0