প্রশ্নের বর্ণনা

a উইলিয়াম কেরী
b প্যারীচাঁদ মিত্র
c ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
d রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর ১. কেন সঠিক: বাংলা গদ্যে যতিচিহ্ন বা বিরামচিহ্নের সফল প্রবর্তন করেন ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর। বাক্যের অর্থ স্পষ্টভাবে বোঝানোর জন্য এবং বক্তার ভাব প্রকাশের সুবিধার্থে তিনি ইংরেজি ব্যাকরণের অনুকরণে বাংলা গদ্যে যতিচিহ্নের ব্যবহার নিশ্চিত করেন। ২. ব্যাকরণ ও সাহিত্য ব্যাখ্যা: ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর ১৮৪৭ সালে প্রকাশিত বেতালপঞ্চবিংশতি গ্রন্থে প্রথম যতিচিহ্নের সুশৃঙ্খল প্রয়োগ করেন। তাঁর আগে বাংলা গদ্যে যতিচিহ্নের নির্দিষ্ট কোনো নিয়ম বা প্রচলন ছিল না, ফলে বাক্যের অর্থ বুঝতে পাঠকদের অসুবিধা হতো। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: দাড়ি। ব্যাখ্যা: একটি পূর্ণ বাক্যের সমাপ্তি বোঝাতে দাড়ি চিহ্ন ব্যবহার করা হয়। উদাহরণ ২: কমা। ব্যাখ্যা: বাক্যের ভেতর অল্প বিরতি বোঝাতে কমা চিহ্ন ব্যবহার করা হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) উইলিয়াম কেরী — তিনি ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের অধ্যাপক ছিলেন এবং বাংলা গদ্য প্রচারে ভূমিকা রাখলেও যতিচিহ্ন প্রবর্তন করেননি। B) প্যারীচাঁদ মিত্র — তিনি আলালের ঘরের দুলাল উপন্যাসের রচয়িতা এবং প্রমথ গদ্যরীতির প্রবক্তা হলেও যতিচিহ্নের প্রবর্তক নন। D) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর — তিনি বাংলা সাহিত্য ও ভাষার আধুনিকায়ন করলেও যতিচিহ্নের প্রবর্তক হিসেবে পরিচিত নন। ৫ মনে রাখার টিপস: বিদ্যাসাগর মানেই গদ্যের জাদুকর এবং যতিচিহ্নের আবিষ্কারক। বেতালপঞ্চবিংশতি গ্রন্থে তিনি প্রথম দাড়ি, কমা ইত্যাদি চিহ্ন ব্যবহার করেন। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বাংলা গদ্যের প্রথম সার্থক রূপকার এবং যতিচিহ্নের জনক উভয় ক্ষেত্রেই ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের নাম অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বিসিএসসহ অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় যতিচিহ্নের প্রবর্তক সম্পর্কিত প্রশ্ন প্রায়ই আসে।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 181 0 0