প্রশ্নের বর্ণনা

a বিদ্যাসাগর
b চট্টোপাধ্যায়
c বন্দ্যোপাধ্যায়
d শর্মা
0 11 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) বন্দ্যোপাধ্যায় ১. কেন সঠিক: ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের পারিবারিক আসল বা বংশগত পদবী হলো বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বীরসিংহ গ্রামে জন্ম নেওয়া এক কুলীন ব্রাহ্মণ পরিবারভুক্ত সন্তান ছিলেন। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর ঊনবিংশ শতকের বাঙালি সমাজ সংস্কারক, শিক্ষাবিদ ও গদ্যকার। সংস্কৃত কলেজ থেকে লাভ করা পাণ্ডিত্যের স্বীকৃতিস্বরূপ তাকে বিদ্যাসাগর উপাধি প্রদান করা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় ব্যাখ্যা: বিখ্যাত ঔপন্যাসিক বঙ্কিমচন্দ্রের পারিবারিক পদবী চট্টোপাধ্যায় ছিল। উদাহরণ ২: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ব্যাখ্যা: বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের পারিবারিক আসল পদবী কুশাড়ী হলেও তারা ঠাকুর পদবী ব্যবহার করতেন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বিদ্যাসাগর — এটি তার কোনো পারিবারিক পদবী নয়, বরং সংস্কৃত কলেজের পক্ষ থেকে অর্জিত বিশেষ পাণ্ডিত্যের উপাধি। B) চট্টোপাধ্যায় — এটি বাংলার অন্য একটি বিখ্যাত কূলীন ব্রাহ্মণ পদবী হলেও বিদ্যাসাগরের পারিবারিক পদবী নয়। D) শর্মা — এটি ব্রাহ্মণদের বংশগত পদবী বা উপাধি হিসেবে ব্যবহৃত হলেও বিদ্যাসাগরের মূল পারিবারিক পদবী এটি নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের নামের শেষে থাকা বিদ্যাসাগর অংশটি উপাধি মনে রাখতে হবে। তার মূল পারিবারিক পদবী ছিল বন্দ্যোপাধ্যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিদ্যাসাগর বাংলা গদ্যের জনক হিসেবে পরিচিত এবং তার রচিত বেতাল পঞ্চবিংশতি ও বর্ণপরিচয় অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ সাহিত্যকর্ম। এই ধরনের প্রশ্নে প্রখ্যাত সাহিত্যিকদের পারিবারিক পদবী এবং অর্জিত উপাধির পার্থক্য ভালোভাবে মনে রাখতে হবে।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 181 0 0