প্রশ্নের বর্ণনা

a ১৮৫৫ সালে
b ১৮৫৬ সালে
c ১৮৫৭ সালে
d ১৮৫৮ সালে
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ১৮৫৬ সালে ১. কেন সঠিক: - ১৮৫৬ সালের ২৬ জুলাই বিধবা বিবাহ আইন পাস হয়, যার মাধ্যমে হিন্দু বিধবাদের পুনর্বিবাহ আইনগতভাবে বৈধ করা হয়। - এই আইন প্রণয়নের পেছনে পন্ডিত ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের ভূমিকা ছিল সবচেয়ে ঐতিহাসিক ও অগ্রণী। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা সাহিত্যের নবজাগরণ ও সমাজসংস্কার আন্দোলনের সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত একটি ঐতিহাসিক প্রশ্ন। - পন্ডিত ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর তাঁর অক্লান্ত পরিশ্রম ও শাস্ত্রীয় প্রমাণের মাধ্যমে সমাজে বিধবা বিবাহ প্রবর্তন করেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বাংলার নবজাগরণ ব্যাখ্যা: উনবিংশ শতাব্দীতে রাজা রামমোহন রায় ও ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের মতো সমাজসংস্কারকদের হাত ধরে বাংলা সমাজে নানা কুসংস্কার দূর হয়। উদাহরণ ২: বহবিবাহ নিবারণ আইন ব্যাখ্যা: সমাজসংস্কারের ধারাবাহিকতায় পরবর্তীতে সমাজে নারী অধিকার রক্ষায় নানা আইন প্রণয়নের উদ্যোগ নেওয়া হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৮৫৫ সালে — এই সালে ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর বিধবা বিবাহ প্রচলন ও শাস্ত্রীয় সত্যতা নিয়ে বিখ্যাত গ্রন্থ প্রকাশ করেন কিন্তু আইন পাস হয়নি। B) ১৮৫৬ সালে — এই অপশনটি সঠিক এবং এই সালেই লর্ড ক্যানিংয়ের আমলে আইনটি পাস হয়। C) ১৮৫৭ সালে — এই সালে সিপাহী বিদ্রোহ বা প্রথম স্বাধীনতা যুদ্ধ সংঘটিত হয়, যা এই আইনের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। D) ১৮৫৮ সালে — এই সালে ব্রিটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির শাসন অবসান ঘটে এবং ব্রিটিশ রাজের সরাসরি শাসন শুরু হয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - ১৮৫৬ সালের কথা মনে রাখতে মনে রাখতে পারো যে বিদ্যাসাগরের আন্দোলনের ঠিক মধ্যভাগে এই ঐতিহাসিক আইন পাস হয়। - তারিখটি মনে রাখার জন্য সালটি বারংবার চর্চা করতে পারো। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সমাজসংস্কার আন্দোলন থেকে প্রায়ই এই প্রশ্নটি আসে। - ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর সম্পর্কিত অন্যান্য তথ্য যেমন তাঁর রচিত গ্রন্থ ও বর্ণপরিচয় সম্পর্কেও জেনে রাখা ভালো।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0