প্রশ্নের বর্ণনা

a ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত
b ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
c বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
d শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর ১. কেন সঠিক: - ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর শেক্সপিয়রের বিখ্যাত নাটকগুলোর বাংলা গদ্যরূপ বা অনুবাদ প্রদান করেছেন। - তাঁর রচিত 'ভ্রান্তিবিলাস' নাটকটি শেক্সপিয়রের 'দ্য কমেডি অফ এররস' নাটকের বাংলা অনুবাদ। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর বাংলা গদ্যের জনক হিসেবে পরিচিত এবং তিনি ঊনবিংশ শতকের একজন প্রখ্যাত বাঙালি সমাজসংস্কারক। - তিনি ইংরেজি সাহিত্য থেকে নাটক অনুবাদ করে বাংলা গদ্যসাহিত্যকে সমৃদ্ধ করেছিলেন এবং সহজ গদ্যরীতির প্রচলন করেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ভ্রান্তিবিলাস ব্যাখ্যা: এটি ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের অনূদিত গ্রন্থ যা শেক্সপিয়রের কমেডি অফ এররস নাটকের ওপর ভিত্তি করে রচিত। উদাহরণ ২: কথামালা ব্যাখ্যা: এটি বিদ্যাসাগর মহাশয়ের অনূদিত আরেকটি বিখ্যাত নৈতিক গল্পগ্রন্থ যা নীতিশিক্ষামূলক গদ্যের চমৎকার উদাহরণ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত — তিনি একজন প্রাচীনপন্থী কবি ও সাংবাদিক হলেও শেক্সপিয়রের নাটকের গদ্যরূপ দেননি। B) ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি প্রযোজ্য এবং তিনি শেক্সপিয়রের নাটকের গদ্যরূপ দিয়েছেন। C) বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় — তিনি বাংলা উপন্যাসের জনক এবং তিনি মৌলিক উপন্যাস রচনার জন্য বিখ্যাত, অনুবাদক নন। D) শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় — তিনি বাংলা সাহিত্যের জনপ্রিয় কথাসাহিত্যিক হলেও তিনি শেক্সপিয়রের নাটকের অনুবাদ করেননি। ৫ মনে রাখার টিপস: - বিদ্যাসাগর মানেই গদ্যের বিস্তার এবং শেক্সপিয়রের নাটকের গদ্যরূপের ক্ষেত্রে তাঁর নাম সবার আগে মনে রাখতে হবে। - ভ্রান্তিবিলাস নাটকের নাম মনে রাখলে শেক্সপিয়রের অনুবাদের বিষয়টি সহজেই আয়ত্ত করা সম্ভব। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় অনূদিত গ্রন্থ থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। - শেক্সপিয়রের নাটকের বাংলা অনুবাদক হিসেবে ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের নাম বারবার পরীক্ষাতে পাওয়া যায়।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 181 0 0