প্রশ্নের বর্ণনা

a হুতোম পেঁচার নক্সা
b কীর্তিবিলাস
c বেতাল পঞ্চবিংশতি
d শর্মিষ্ঠা
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) বেতাল পঞ্চবিংশতি ১. কেন সঠিক: - বেতাল পঞ্চবিংশতি গ্রন্থটি বাংলা গদ্যের জনক ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের মৌলিক বা অনূদিত রচনাগুলোর মধ্যে অন্যতম একটি বিখ্যাত গ্রন্থ। - এটি মূলত হিন্দি বেতাল পচ্চিসী গ্রন্থের বাংলা অনুবাদ, যা তিনি ১৮৪৭ সালে প্রকাশ করেন এবং এটি বাংলা গদ্যের বিকাশে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর বাংলা গদ্যের প্রথম সার্থক শিল্পী ও রূপকার হিসেবে পরিচিত যিনি উনিশ শতকের বাঙালি সমাজ সংস্কারক ও শিক্ষাবিদ ছিলেন। - তাঁর গদ্যে প্রথম যতিচিহ্নের সঠিক ব্যবহার এবং পদের সুবিন্যস্ত লালিত্য প্রকাশ পায় যা বাংলা ভাষাকে প্রাঞ্জল ও গতিশীল করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ভ্রান্তিবিলাস ব্যাখ্যা: এটি উইলিয়াম শেক্সপিয়ারের কমেডি অফ এররস নাটকের অবলম্বনে ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর কর্তৃক অনূদিত একটি জনপ্রিয় বাংলা গ্রন্থ। উদাহরণ ২: সীতার বনবাস ব্যাখ্যা: এটি বাল্মীকি রামায়ণ ও ভবভূতির উত্তররামচরিত অবলম্বনে ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর রচিত একটি ক্লাসিক সাহিত্যকর্ম ও গদ্যগ্রন্থ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) হুতোম পেঁচার নক্সা — এই বিখ্যাত গ্রন্থটির রচয়িতা কালীপ্রসন্ন সিংহ, যিনি হুতোম পেঁচা ছদ্মনামে বচসা ও সমাজের চালচিত্র তুলে ধরেছিলেন। B) কীর্তিবিলাস — এটি মাইকেল মধুসূদন দত্তের রচিত একটি নাটক, তাই এটি ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের কোনো রচনা নয়। D) শর্মিষ্ঠা — এটি বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক নাটক এবং এর রচয়িতাও কবি মাইকেল মধুসূদন দত্ত। ৫. মনে রাখার টিপস: - বিদ্যাসাগরের অনুবাদের ক্ষেত্রে পঞ্চবিংশতি বা বিলাস শব্দযুক্ত গ্রন্থগুলোর দিকে নজর রাখতে পারো যেমন বেতাল পঞ্চবিংশতি ও ভ্রান্তিবিলাস। - বিদ্যাসাগর মানেই বাংলা গদ্যের শৃঙ্খলা এবং সমাজের সংস্কারমূলক শিক্ষার প্রকাশ। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের প্রথম প্রকাশিত গ্রন্থ বেতাল পঞ্চবিংশতি এবং এটি ১৮৪৭ সালে প্রকাশিত হয়। - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই তার অনুদিত গ্রন্থ এবং মৌলিক গ্রন্থ গুলিয়ে ফেলার প্রশ্ন আসে, তাই মূল উৎস ও অনুবাদ গ্রন্থগুলোর তালিকা আলাদা করে মনে রাখবে।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0