প্রশ্নের বর্ণনা

a এয়াকুব আলী চৌধুরী
b শেখ ফজলুল করিম
c কাজী আবদুল ওদুদ
d কায়কোবাদ
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) কাজী আবদুল ওদুদ ১. কেন সঠিক: - কাজী আবদুল ওদুদ ছিলেন বিশ শতকের প্রথমার্ধের বুদ্ধিবৃত্তিক জাগরণের অন্যতম পুরোধা ব্যক্তিত্ব। - তিনি ছিলেন মুক্তবুদ্ধি চর্চা ও সাহিত্য আন্দোলনের অন্যতম প্রধান সংগঠন মুসলিম সাহিত্য সমাজের সক্রিয় কর্মী। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - তিনি ১৯২৬ সালে ঢাকায় গঠিত মুসলিম সাহিত্য সমাজের প্রতিষ্ঠাতা সদস্য এবং এর মুখপত্র শিখা পত্রিকার অন্যতম চালিকাশক্তি ছিলেন। - তার উল্লেখযোগ্য সাহিত্যকর্মের মধ্যে নদীতীরে, শরৎবিকাশ এবং সমাজ ও সাহিত্য বিশেষভাবে পরিচিত। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: কাজী আবদুল ওদুদ রচিত নজরুলের মূল্যায়ন গ্রন্থ। ব্যাখ্যা: এই গ্রন্থে তিনি কাজী নজরুল ইসলামের সাহিত্যকর্মের গভীর ও স্বাধীন মূল্যায়ন করেছেন। উদাহরণ ২: মুসলিম সাহিত্য সমাজের বুদ্ধির মুক্তি আন্দোলন। ব্যাখ্যা: এই আন্দোলন ধর্মান্ধতা ও গোঁড়ামিমুক্ত আধুনিক মনন গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছিল। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) এয়াকুব আলী চৌধুরী — তিনি মুক্তবুদ্ধি চর্চার সঙ্গে যুক্ত থাকলেও এই বিশেষ বিশেষণের জন্য কাজী আবদুল ওদুদ সর্বাধিক পরিচিত। B) শেখ ফজলুল করিম — তিনি মূলত সাহিত্য সাধক ও নীতিধর্মী লেখক হিসেবে পরিচিত, মুক্তবুদ্ধি আন্দোলনের প্রধান নন। D) কায়কোবাদ — তিনি বাংলা মহাকাব্যের জন্য বিখ্যাত রোমান্টিক ধারার কবি, বুদ্ধির মুক্তি আন্দোলনের লেখক নন। ৫. মনে রাখার টিপস: - শিখা পত্রিকা এবং মুসলিম সাহিত্য সমাজ মানেই মুক্তবুদ্ধির লেখক কাজী আবদুল ওদুদ। - বুদ্ধির মুক্তি আন্দোলনের প্রধান মুখ হিসেবে তাকে সব সময় মনে রাখবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - মুসলিম সাহিত্য সমাজ কবে গঠিত হয় এবং এর স্লোগান কী ছিল তা বিসিএস পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। - এই ধরনের প্রশ্নে লেখক ও তার সংশ্লিষ্ট আন্দোলন মিলিয়ে উত্তর নির্ধারণ করতে হয়।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0