প্রশ্নের বর্ণনা

a ভারতী
b সাময়িক পত্র
c জ্ঞানাঙ্কুর
d সংবাদ প্রভাকর
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) জ্ঞানাঙ্কুর ১. কেন সঠিক: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের প্রথম প্রকাশিত কাব্য হলো 'বনফুল'। এই কাব্যটি ১৮৭৫ সালে 'জ্ঞানাঙ্কুর' পত্রিকায় প্রকাশিত হয়। রবীন্দ্রনাথ যখন এই কাব্যটি লেখেন, তখন তার বয়স খুব কম ছিল এবং এটি তার সাহিত্যজীবনের শুরুর দিকের একটি উল্লেখযোগ্য সৃষ্টি। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বাংলা সাহিত্যের এক অবিসংবাদিত প্রতিভা যিনি একাধারে কবি, নাট্যকার, ঔপন্যাসিক ও প্রাবন্ধিক। 'জ্ঞানাঙ্কুর ও প্রতিবিম্ব' ছিল তৎকালীন সময়ে প্রকাশিত একটি প্রখ্যাত মাসিক পত্রিকা যেখানে রবীন্দ্রনাথের এই প্রথম কাব্যগ্রন্থটি ধারাবাহিকভাবে বা পত্রিকাকারে প্রকাশিত হয়েছিল। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের প্রথম প্রকাশিত নাটক 'বাল্মীকি প্রতিভা'। ব্যাখ্যা: এটি তার সাহিত্যজীবনের প্রাথমিক পর্যায়ের একটি গীতিনাট্য যা তার বহুমুখী প্রতিভার পরিচয় বহন করে। উদাহরণ ২: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের প্রথম প্রকাশিত ছোটগল্প 'ভিখারিণী'। ব্যাখ্যা: এই গল্পটি 'ভারতী' পত্রিকায় ১২৯০ বঙ্গাব্দের কার্তিক মাসে প্রকাশিত হয়েছিল যা বাংলা ছোটগল্পের যাত্রার শুরু নির্দেশ করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ভারতী — এই পত্রিকায় রবীন্দ্রনাথের অনেক লেখা ও প্রথম ছোটগল্প প্রকাশিত হলেও 'বনফুল' কাব্যটি এখানে প্রকাশিত হয়নি। B) সাময়িক পত্র — এটি কোনো নির্দিষ্ট পত্রিকার নাম নয়, বরং এটি একটি সাধারণ শ্রেণি বা ক্যাটাগরি মাত্র। D) সংবাদ প্রভাকর — ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত সম্পাদিত এই পত্রিকায় রবীন্দ্রনাথের প্রথম কাব্য প্রকাশিত হয়নি, এটি উনিশ শতকের একটি সংবাদভিত্তিক পত্রিকা ছিল। ৫ মনে রাখার টিপস: রবীন্দ্রনাথের প্রথম কাব্য 'বনফুল' প্রকাশের ক্ষেত্রে 'জ্ঞানাঙ্কুর' পত্রিকার নাম মনে রাখতে পারেন এভাবে যে, তার সাহিত্যিক জীবনের অঙ্কুরোদগম বা শুরু হয়েছিল এই পত্রিকার মাধ্যমে। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় কবিদের প্রথম রচনা বা প্রথম প্রকাশের সাল অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। রবীন্দ্রনাথের প্রথম কাব্য 'বনফুল' (১৮৭৫) এবং প্রথম প্রকাশিত গল্প 'ভিখারিণী' (১৮৭৭) ভালোভাবে মনে রাখা আবশ্যক।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0