প্রশ্নের বর্ণনা

a কোহিনুর
b হাফেজ
c মিহির
d মোসলেম ভারত
0 12 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) হাফেজ ১. কেন সঠিক: - প্রদত্ত উদ্ধৃতিটি উনিশ শতকের শেষভাগে প্রকাশিত 'হাফেজ' পত্রিকার একটি বিখ্যাত সম্পাদকীয় থেকে নেওয়া হয়েছে। - সে সময়ে বাঙালি মুসলমান সমাজের অনগ্রসরতা, উদাসীনতা এবং বিলাসবহুল জীবনযাপন ফুটিয়ে তুলতে এই কড়া ভাষা ব্যবহার করা হয়েছিল। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - 'হাফেজ' হলো উনিশ শতকের শেষভাগে প্রকাশিত একটি সাময়িকী বা পত্রিকা যা তৎকালীন মুসলিম সমাজের সংস্কার ও জাগরণে ভূমিকা রেখেছিল। - এই ধরনের সম্পাদকীয় উদ্ধৃতি প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ১৯ শতকের সাংবাদিকতা এবং মুসলিম সমাজ সংস্কার আন্দোলনের ইতিহাস থেকে প্রায়ই আসে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সমকালীন সংবাদপত্রে সমাজের ত্রুটি তুলে ধরার প্রবণতা। ব্যাখ্যা: উনিশ শতকের বিভিন্ন পত্রিকায় সমাজ সংস্কারের জন্য এ ধরনের কড়া সমালোচনা নিয়মিত প্রকাশিত হতো। উদাহরণ ২: তৎকালীন মুসলিম সমাজের আত্মোপলব্ধির প্রয়োজনীয়তা। ব্যাখ্যা: সাহিত্যিক ও সাংবাদিকরা চেয়েছেন যেন বাঙালি মুসলমানরা ঘুম ভেঙে নিজেদের অধিকার সম্পর্কে সজাগ হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কোহিনুর — এটি একটি প্রখ্যাত সাহিত্য পত্রিকা হলেও প্রদত্ত সম্পাদকীয়টি এই পত্রিকায় প্রকাশিত হয়নি। B) হাফেজ — এই অপশনটি সঠিক এবং এই পত্রিকার সম্পাদকীয় থেকেই উক্ত উদ্ধৃতিটি নেওয়া হয়েছে। C) মিহির — এটি অন্য একটি ঐতিহাসিক পত্রিকা এবং এর সম্পাদকীয়র ধরন আলাদা ছিল। D) মোসলেম ভারত — এটি বিশ শতকের একটি বিখ্যাত সাহিত্য পত্রিকা যা এই উদ্ধৃতির সময়ের সঙ্গে মেলে না। ৫. মনে রাখার টিপস: - আলস্য শয্যা এবং ধ্বংস সাগর শব্দগুলো দেখলে 'হাফেজ' পত্রিকাটিকে মনে রাখবে। - উনিশ শতকের সমাজ সচেতনতামূলক সম্পাদকীয়র জন্য এই পত্রিকা বেশ পরিচিত ছিল। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - এ ধরনের উদ্ধৃতির ক্ষেত্রে পত্রিকার নাম এবং তৎকালীন সামাজিক প্রেক্ষাপট ভালোভাবে মনে রাখতে হবে। - পরীক্ষার হলে উদ্ধৃতির ভেতরের মূল সুর ধরে পত্রিকা বা লেখকের নাম অনুমান করা যায়।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0