প্রশ্নের বর্ণনা

a সাধনা
b শিখা
c শনিবারের চিঠি
d সবুজপত্র
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) সবুজপত্র ১. কেন সঠিক: - সবুজপত্র পত্রিকা প্রকাশিত হওয়ার পর থেকেই বাংলা চলিত ভাষারীতি দাপ্তরিক ও সাহিত্যিক স্বীকৃতি লাভ করে। - এই পত্রিকার মাধ্যমে চলিত ভাষার পক্ষে প্রবল আন্দোলন গড়ে ওঠে এবং এটি চলিত ভাষার প্রথম মুখপাত্র হিসেবে কাজ করে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - সবুজপত্র বাংলা সাহিত্যের একটি ঐতিহাসিক ও প্রভাবশালী মাসিক পত্রিকা। - ১৯১৪ সালের এপ্রিল মাসে প্রমথ চৌধুরীর সম্পাদনায় এই পত্রিকা প্রথম প্রকাশিত হয় এবং এতে চলিত রীতি জোরালোভাবে ব্যবহৃত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বীরবল ছদ্মনামে প্রমথ চৌধুরী সবুজপত্র পত্রিকায় প্রবন্ধ লিখতেন। ব্যাখ্যা: প্রমথ চৌধুরী সবুজপত্র পত্রিকার সম্পাদক এবং প্রধান চালিকাশক্তি ছিলেন। উদাহরণ ২: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের চলিত ভাষায় লেখা অনেক উপন্যাস ও কবিতা সবুজপত্র পত্রিকায় প্রকাশিত হয়। ব্যাখ্যা: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর সবুজপত্র পত্রিকার অন্যতম প্রধান পৃষ্ঠপোষক ও লেখক ছিলেন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সাধনা — এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের সম্পাদনায় ১৮৯৩ সালে প্রকাশিত সাধনা পত্রিকা, যা চলিত ভাষার মুখপাত্র ছিল না। B) শিখা — এটি আবুল হুসেনের নেতৃত্বে গঠিত মুসলিম সাহিত্য সমাজের মুখপত্র যা প্রগতি আন্দোলনের সাথে যুক্ত ছিল। C) শনিবারের চিঠি — এটি একটি সাহিত্যিক ব্যঙ্গ পত্রিকা যা সবুজপত্রের চলিত রীতির বিরুদ্ধে রক্ষণশীল ভূমিকা পালন করেছিল। D) সবুজপত্র — এই অপশনটি সঠিক কারণ এটিই চলিত ভাষার প্রথম ও প্রধান মুখপত্র ছিল। ৫. মনে রাখার টিপস: - সবুজ পাতা বাতাসে চলে, তাই সবুজপত্র মানেই চলিত ভাষা। - প্রমথ চৌধুরীর সবুজপত্র চলিত রীতির বাহক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - সবুজপত্র পত্রিকার প্রকাশের সাল ১৯১৪ এবং এর সম্পাদক প্রমথ চৌধুরী। - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই চলিত ভাষার প্রবক্তা ও মুখপাত্র সংক্রান্ত প্রশ্ন আসে।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 181 0 0