প্রশ্নের বর্ণনা

a ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
b ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত
c নবীনচন্দ্র সেন
d সত্যেন্দ্রনাথ দত্ত
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত ১. কেন সঠিক: - 'সংবাদ প্রভাকর' পত্রিকার প্রতিষ্ঠাতা ও প্রথম সম্পাদক ছিলেন কবি ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত। - ১৮৩১ সালের ৬ মার্চ এই পত্রিকাটি প্রথম প্রকাশিত হয় এবং ১৮৩৬ সাল থেকে এটি দৈনিক রূপ নেয়। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত বাংলা সংবাদপত্রের ইতিহাসে এবং কাব্যে যুগসন্ধিক্ষণের কবি হিসেবে পরিচিত। - বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় এবং দীনবন্ধু মিত্রের মতো সাহিত্যিকগণ তাঁর সাহিত্যগুরু হিসেবে তাঁকে শ্রদ্ধা করতেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সংবাদ প্রভাকর পত্রিকা ব্যাখ্যা: এই পত্রিকাটি বাংলা ভাষা ও সাহিত্যের প্রসারে এবং প্রাচীন কবিদের জীবনী প্রচারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিল। উদাহরণ ২: কবি ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত ব্যাখ্যা: তিনি সংবাদ প্রভাকরের মাধ্যমে বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় ও দীনবন্ধু মিত্রের মতো প্রতিভাবান লেখকদের সাহিত্যচর্চায় উদ্বুদ্ধ করেছিলেন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর — তিনি ঊনবিংশ শতাব্দীর একজন প্রখ্যাত সমাজসংস্কারক ও গদ্যকার হলেও 'সংবাদ প্রভাকর' পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন না। B) ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত — এই অপশনটি সঠিক এবং তিনি সংবাদ প্রভাকর পত্রিকার প্রতিষ্ঠাতা সম্পাদক ছিলেন। C) নবীনচন্দ্র সেন — তিনি বাংলা সাহিত্যের একজন বিখ্যাত মহাকাব্যিক কবি ও ঔপন্যাসিক, কিন্তু এই পত্রিকার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন না। D) সত্যেন্দ্রনাথ দত্ত — তিনি ছন্দের জাদুকর নামে পরিচিত বিশিষ্ট কবি, যিনি এই পত্রিকার প্রতিষ্ঠার অনেক পরের যুগের কবি। ৫ মনে রাখার টিপস: - প্রভাত মানে সকাল আর গুপ্ত মানে লুকিয়ে থাকা। সকালের প্রভাকর পত্রিকা মনে রাখতে ই গুপ্ত বা ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত নামটি মনে রাখবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - সংবাদ প্রভাকর বাংলা ভাষার প্রথম সফল দৈনিক পত্রিকা হিসেবে বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে। - ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত সম্পাদিত অন্য একটি পত্রিকার নাম সাধুরঞ্জন প্রকাশ, যা পরীক্ষার্থীদের জেনে রাখা ভালো।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0