প্রশ্নের বর্ণনা

a অতুলচন্দ্র গুপ্ত
b ধূর্জটি প্রসাদ মুখোপাধ্যায়
c সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়
d ওপরের তিনজনই
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ওপরের তিনজনই ১. কেন সঠিক: - 'সবুজপত্র' পত্রিকার সঙ্গে যুক্ত প্রমথ চৌধুরীর অনুসারী প্রাবন্ধিক ও লেখকদের মধ্যে এঁরা সকলেই অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছিলেন। - এই পত্রিকায় বাংলা গদ্যে চলতি রীতির প্রবর্তন করা হয় এবং প্রাবন্ধিকরা বিভিন্ন মননশীল প্রবন্ধ ও সাহিত্যালোচনা লিখে এই আন্দোলনকে বেগবান করেছিলেন। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - সবুজপত্র বাংলা সাহিত্যের প্রথম বিশ্বযুদ্ধোত্তর যুগে বাংলা গতির ধারা পাল্টে দেওয়া একটি বিখ্যাত মাসিক পত্রিকা, যা ১৯১৪ সালের আগস্ট মাসে প্রমথ চৌধুরীর সম্পাদনায় প্রথম প্রকাশিত হয়। - এই পত্রিকার মূল লক্ষ্য ছিল প্রমিত কথ্যরীতি বা চলিত ভাষায় সাহিত্যচর্চা করা, যেখানে অতুলচন্দ্র গুপ্ত, ধূর্জটি প্রসাদ মুখোপাধ্যায় এবং সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায় নিয়মিত ও প্রভাবশালী লেখক হিসেবে যুক্ত ছিলেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বীরবল ছদ্মনামে প্রমথ চৌধুরী সবুজপত্র পত্রিকায় নিয়মিত প্রবন্ধ লিখতেন। ব্যাখ্যা: প্রমথ চৌধুরী সবুজপত্র পত্রিকার সম্পাদক এবং এর প্রধান চালিকাশক্তি ছিলেন যিনি বীরবল ছদ্মনামে লিখতেন। উদাহরণ ২: বাংলা চলিত রীতির প্রবক্তা হিসেবে সবুজপত্র পত্রিকার অবদান অপরিসীম। ব্যাখ্যা: এই পত্রিকার মাধ্যমে গুরুচণ্ডালী দোষমুক্ত সহজ ও সাবলীল চলিত গদ্যরীতির পথ প্রশস্ত হয়েছিল। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) অতুলচন্দ্র গুপ্ত — একা ইনি নন, কারণ অন্য অপশনের লেখকরাও সবুজপত্রে লিখতেন তাই শুধু এটি সম্পূর্ণ নয়। B) ধূর্জটি প্রসাদ মুখোপাধ্যায় — ইনিও সবুজপত্রে লিখতেন কিন্তু একা এনার নাম সঠিক উত্তর হতে পারে না কারণ বাকিরাও লিখতেন। C) সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায় — ইনিও এই পত্রিকার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন, তবে শুধু এনার নাম সঠিক উত্তর হিসেবে যথেষ্ট নয়। D) ওপরের তিনজনই — এই অপশনটি সঠিক কারণ অতুলচন্দ্র গুপ্ত, ধূর্জটি প্রসাদ মুখোপাধ্যায় এবং সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায় প্রত্যেকেই সবুজপত্র পত্রিকায় লিখতেন। ৫ মনে রাখার টিপস: - সবুজপত্রের বিশিষ্ট লেখকদের মনে রাখতে সূত্রটি হলো 'সবুজ পাতার অতুল ধূর্জটি সুনীতি'। - এর মাধ্যমে প্রমথ চৌধুরীর অনুসারী এই তিনজন প্রধান প্রাবন্ধিক ও গবেষকের নাম সহজে মনে রাখা যায়। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - সবুজপত্র পত্রিকার প্রকাশকাল ও সম্পাদকের নাম বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে। - পত্রিকার সঙ্গে জড়িত অন্য লেখকদের নাম যেমন রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ও রাধারানী দত্তের নামও জেনে রাখা ভালো।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 181 0 0