প্রশ্নের বর্ণনা

a জ্ঞানান্বেষণ
b তত্ত্ববোধিনী
c বিবিধার্থ সংগ্রহ
d বিজ্ঞান সেবধি
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) বিজ্ঞান সেবধি ১. কেন সঠিক: - বিজ্ঞান সেবধি এমন একটি প্রাচীন সাময়িকী বা পত্রিকা যার মূল লক্ষ্য ছিল বাংলায় বিজ্ঞান বিষয়ক প্রবন্ধ প্রকাশ করা এবং বিজ্ঞান চর্চাকে প্রসারিত করা। - ঊনবিংশ শতাব্দীতে বাংলা ভাষায় বিজ্ঞান চর্চার প্রসারের জন্য এই বিশেষায়িত পত্রিকাগুলো অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিল। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - ঊনবিংশ শতাব্দীতে বাংলা সংবাদ ও সাময়িক সাহিত্য ধারায় জ্ঞানবিজ্ঞান প্রচারের জন্য বিভিন্ন পত্রিকা প্রকাশিত হতো। - বিজ্ঞান সেবধি ছিল সেই ধারার একটি অন্যতম পত্রিকা যেখানে বৈজ্ঞানিক বিষয়বস্তু সহজ বাংলায় পরিবেশন করা হতো। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: তত্ত্ববোধিনী পত্রিকা ব্যাখ্যা: এটি উনিশ শতকের অন্যতম বিখ্যাত পত্রিকা যেখানে দর্শন, ইতিহাস ও বিজ্ঞানের নানা প্রবন্ধ প্রকাশিত হতো। উদাহরণ ২: বঙ্গদর্শন ব্যাখ্যা: বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় সম্পাদিত এই পত্রিকাতেও বিজ্ঞান ও সাহিত্য বিষয়ক বহু প্রবন্ধ স্থান পেয়েছিল। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) জ্ঞানান্বেষণ — এটি তৎকালীন সময়ের একটি জ্ঞানগর্ভ পত্রিকা হলেও এটি প্রধানত সাধারণ জ্ঞান, সমাজ ও শিক্ষার প্রসারে কাজ করত এবং এটি বিজ্ঞান বিষয়ক নির্দিষ্ট কোনো পত্রিকা ছিল না। B) তত্ত্ববোধিনী — এই পত্রিকাটি মূলত ব্রাহ্মসমাজ ও তৎসংক্রান্ত তত্ত্ব প্রচার এবং সমাজ সংস্কারের কাজে নিয়োজিত ছিল, যদিও এতে কিছু বৈজ্ঞানিক প্রবন্ধ আসত তবে এটি বিজ্ঞানভিত্তিক পত্রিকা ছিল না। C) বিবিধার্থ সংগ্রহ — রাজেন্দ্রলাল মিত্রের সম্পাদনায় প্রকাশিত এই পত্রিকাটি ছিল মূলত বিচিত্র বিষয়ভিত্তিক বা বহুমুখী সাময়িকী, যা নির্দিষ্ট কোনো একটি বিষয়ের ওপর সীমাবদ্ধ ছিল না। D) বিজ্ঞান সেবধি — এই অপশনটি সঠিক কারণ এটি বিশেষভাবে বিজ্ঞান বিষয়ক প্রবন্ধ প্রচারের জন্যই পরিচিত ছিল। ৫. মনে রাখার টিপস: - পত্রিকার নামের মধ্যেই যখন বিজ্ঞান শব্দটি থাকে, তখন সেটি বিজ্ঞান বিষয়ক পত্রিকা হিসেবে সহজে চিহ্নিত করা যায়। - নামকরণের এই মিল মনে রাখলে প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এ ধরনের প্রশ্ন দ্রুত উত্তর করা সম্ভব হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - উনিশ শতকের সাময়িকীগুলোর নাম এবং তাদের মূল প্রকাশের উদ্দেশ্য থেকে প্রায়ই প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রশ্ন আসে। - কোন পত্রিকা কোন বিষয়ের ওপর গুরুত্ব দিয়েছিল তা ভালোভাবে জেনে রাখা আবশ্যক।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 181 0 0