প্রশ্নের বর্ণনা

a ১৮৩৯ সালে
b ১৭৮০ সালে
c ১৮৩৩ সালে
d ১৮২৯ সালে
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ১৮২৯ সালে ১. কেন সঠিক: - বঙ্গদূত পত্রিকাটি প্রকাশিত হয় ১৮২৯ সালের ৯ই মে। এটি বাংলা, ফার্সি, হিন্দি ও ইংরেজি এই চার ভাষায় প্রকাশিত প্রথম বহুভাষিক সাপ্তাহিক পত্রিকা। - এই প্রশ্নটি বাংলা সাহিত্যের সংবাদপত্র ও সাময়িকী অংশের অন্তর্ভুক্ত। উনিশ শতকের সংবাদ সাময়িকীর বিকাশ ও সামাজিক সংস্কারের ইতিহাস জানতে এই পত্রিকাটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বঙ্গদূত পত্রিকাটির প্রধান উদ্যোক্তা ও মালিক ছিলেন দ্বারকানাথ ঠাকুর। এছাড়া প্রখ্যাত সমাজসংস্কারক রাজা রামমোহন রায় এবং প্রসন্নকুমার ঠাকুর এই পত্রিকার সঙ্গে গভীরভাবে যুক্ত ছিলেন। - উনবিংশ শতকের প্রথমার্ধে প্রকাশিত এই পত্রিকাটি তৎকালীন সমাজে রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক সচেতনতা তৈরিতে এবং সংবাদ প্রচারে অগ্রণী ভূমিকা পালন করেছিল। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সমাচার দর্পণ ব্যাখ্যা: এটি ১৮১৮ সালের ২৩শে মে শ্রীরামপুর মিশন থেকে প্রকাশিত প্রথম বাংলা সাপ্তাহিক সংবাদপত্র। উদাহরণ ২: সংবাদ প্রভাকর ব্যাখ্যা: ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্তের সম্পাদনায় ১৮৩১ সালে প্রকাশিত একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ দৈনিক সংবাদপত্র। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৮৩৯ সালে — এই সালে কোনো বিখ্যাত ঐতিহাসিক বাংলা পত্রিকা প্রকাশের প্রামাণ্য তথ্য নেই। B) ১৭৮০ সালে — এই সালে জেমস অগাস্টাস হিকির সম্পাদনায় বাংলার প্রথম ইংরেজি সংবাদপত্র বেঙ্গল গেজেট প্রকাশিত হয়েছিল। C) ১৮৩৩ সালে — এই সালে রাজা রামমোহন রায় মৃত্যুবরণ করেন, কিন্তু বঙ্গদূত পত্রিকা প্রকাশের সাল এটি নয়। D) ১৮২৯ সালে — এই অপশনটি সঠিক কারণ বঙ্গদূত পত্রিকাটি এই সালেই প্রকাশিত হয়েছিল। ৫ মনে রাখার টিপস: - রাজা রামমোহন রায় ও দ্বারকানাথ ঠাকুরের হাত ধরে ১৮২৯ সালে প্রকাশিত হয় বহুভাষিক পত্রিকা বঙ্গদূত। - সালটি মনে রাখতে এভাবে ভাবতে পারো যে, সতীদাহ প্রথা রদের ঠিক এক বছর পর ১৮২৯ সালে বঙ্গদূত প্রকাশিত হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বহুভাষিক সংবাদপত্র হিসেবে বঙ্গদূত পরীক্ষার জন্য খুব গুরুত্বপূর্ণ একটি নাম। - সংবাদপত্রের নাম এবং এর সম্পাদক বা সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিত্বের নাম প্রায়ই প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আসে।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0