প্রশ্নের বর্ণনা

a ১৯২৩ সালে
b ১৯২৪ সালে
c ১৯২৫ সালে
d ১৯২৭ সালে
0 11 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ১৯২৩ সালে ১. কেন সঠিক: বাংলা সাহিত্যের আধুনিক যুগে বিশ শতকের বিশের দশকে প্রকাশিত 'কল্লোল' পত্রিকা বাংলা সাহিত্যে এক নতুন ধারা ও বিদ্রোহের সূচনা করেছিল। এই পত্রিকার প্রকাশকাল হলো বঙ্গাব্দ ১৩৩০ সালের বৈশাখ মাস এবং খ্রিস্টীয় সালের হিসাব অনুযায়ী ১৯২৩ সালের এপ্রিল মাস। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: 'কল্লোল' পত্রিকার প্রথম সম্পাদক ছিলেন দীনেশরঞ্জন দাশ এবং পরে বুদ্ধদেব বসু ও অজিত দত্ত এর সঙ্গে যুক্ত হন। এই পত্রিকাকে কেন্দ্র করে বাংলা সাহিত্যে 'কল্লোল যুগ' বা 'কল্লোল গোষ্ঠী' গড়ে ওঠে যা রোমান্টিকতা ও প্রথাগত রীতির বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানিয়েছিল। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: 'কালী নাগিনীয়ার গান' ব্যাখ্যা: এটি কল্লোল যুগের অন্যতম বিখ্যাত ও প্রগতিশীল রচনা যা বুদ্ধদেব বসু লিখেছিলেন। উদাহরণ ২: 'ধূসর পাণ্ডুলিপি' ব্যাখ্যা: এই কাব্যগ্রন্থের কবি জীবনানন্দ দাশ কল্লোল গোষ্ঠীর সমসাময়িক লেখক হিসেবে আধুনিক বাংলা কবিতার মোড় ঘুরিয়ে দিয়েছিলেন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৯২৩ সালে — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই সালেই কল্লোল পত্রিকা প্রথম প্রকাশিত হয়েছিল। B) ১৯২৪ সালে — এই সালে বিখ্যাত সাহিত্য পত্রিকা 'কালিকলম' বা অন্য কোনো পত্রিকা প্রকাশিত হলেও কল্লোলের সাল এটি নয়। C) ১৯২৫ সালে — এই সালে কল্লোল প্রকাশিত হয়নি, এটি ভুল সাল হিসেবে অপশনে দেওয়া হয়েছে। D) ১৯২৭ সালে — এই সালে কাজী নজরুল ইসলামের বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ 'সঞ্চিতা' প্রকাশিত হয়েছিল, কল্লোলের প্রকাশকাল এটি নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: কল্লোল পত্রিকার প্রকাশসাল মনে রাখতে মনে রাখতে পারো যে বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের নোবেল প্রাপ্তির দশ বছর পর ১৯২৩ সালে এটি প্রকাশিত হয়। এভাবে সালভিত্তিক মিল রেখে পড়লে প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ভুল হওয়ার সম্ভাবনা থাকে না। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় 'কল্লোল' পত্রিকার সম্পাদক ও প্রকাশের সাল বারবার আসে। একইভাবে 'শনিবারের চিঠি' এবং 'কালিকলম' পত্রিকার প্রকাশকাল ও সম্পাদকদের নামও ভালোভাবে পড়ে রাখতে হবে।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0