প্রশ্নের বর্ণনা

a ১৯২৩ সালে
b ১৯২৭ সালে
c ১৯২৯ সালে
d ১৯৩০ সালে
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ১৯৩০ সালে ১. কেন সঠিক: 'কল্লোল' পত্রিকা প্রকাশিত হয় বাংলা ১৩৩০ সালের বৈশাখে এবং ১৯৩০ সালে এর প্রকাশনা স্থায়ীভাবে বন্ধ হয়ে যায়। বাংলা সাহিত্যের আধুনিকতার সূচনা ও বুদ্ধির মুক্তির আন্দোলনে এই পত্রিকার ঐতিহাসিক ভূমিকা রয়েছে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: কল্লোল পত্রিকা ১৯২৩ সালের মে মাসে ঢাকা থেকে প্রথম প্রকাশিত হয় এবং পরে কলকাতা থেকে প্রকাশিত হয়। এর সম্পাদক ছিলেন দীনেশরঞ্জন দাশ এবং সহ-সম্পাদক ছিলেন বুদ্ধদেব বসু ও সুনীল চট্টোপাধ্যায়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: 'কালী নাগিনীদের যুগ' ব্যাখ্যা: কল্লোল যুগে বাংলা সাহিত্যে রোমান্টিকতা ও বাস্তবতার এক নতুন ধারা শুরু হয়েছিল। উদাহরণ ২: 'কল্লোল যুগ' ব্যাখ্যা: বাংলা সাহিত্যে ১৯২৩ থেকে ১৯৩০ সাল পর্যন্ত সময়কালকে কল্লোল যুগ বলা হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৯২৩ সালে — এটি এই পত্রিকার প্রকাশের সাল, বন্ধ হওয়ার সাল নয়। B) ১৯২৭ সালে — এই সালে পত্রিকাটি বন্ধ হয়নি, বরং কল্লোল যুগের সাহিত্য আন্দোলন তখন তুঙ্গে ছিল। C) ১৯২৯ সালে — এই সালটি পত্রিকার প্রকাশকাল বা বন্ধ হওয়ার সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত নয়। D) ১৯৩০ সালে — এটি সঠিক সাল কারণ এই সালেই পত্রিকাটি বন্ধ হয়ে যায়। ৫ মনে রাখার টিপস: কল্লোল পত্রিকা প্রকাশের ঠিক সাত বছর পর অর্থাৎ ১৯৩০ সালে বন্ধ হয়ে যায়। ১৯২৩ সালে শুরু এবং ১৯৩০ সালে সমাপ্ত—এই হিসাবটি মনে রাখলে সাল ভুল হবে না। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: কল্লোল পত্রিকার প্রথম সম্পাদক দীনেশরঞ্জন দাশ এবং একে কেন্দ্র করে গড়ে ওঠা লেখকদের কল্লোল গোষ্ঠী বলা হয়। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় পত্রিকার প্রকাশকাল, বন্ধ হওয়ার সাল ও সম্পাদকের নাম প্রায়ই আসে।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 181 0 0