প্রশ্নের বর্ণনা

a কাজী নজরুল ইসলাম
b শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
c কাজী মোতাহর হোসেন
d রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ১. কেন সঠিক: - ‘আয় চলে আয়, রে ধূমকেতু, আঁধারে বাঁধ অগ্নিকেতু’ পঙক্তিটি বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর কাজী নজরুল ইসলামের ‘ধূমকেতু’ পত্রিকা প্রকাশের প্রাক্কালে তাকে আশীর্বাদ করে লিখেছিলেন। - এই উদ্ধৃতিটিতে ধূমকেতু পত্রিকার তেজস্বী ও বিদ্রোহী রূপকে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে, যা বাংলা সাহিত্য ও সাংবাদিকতার ইতিহাসে এক অনন্য আশীর্বাণী হিসেবে পরিচিত। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বাংলা সাহিত্যের সর্বকালের অন্যতম শ্রেষ্ঠ কবি, ঔপন্যাসিক ও প্রাবন্ধিক, যিনি ১৯১৩ সালে প্রথম এশীয় হিসেবে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন। - ‘ধূমকেতু’ হলো কাজী নজরুল ইসলাম কর্তৃক সম্পাদিত ও প্রকাশিত একটি বিখ্যাত অর্ধসাপ্তাহিক পত্রিকা, যার মুখবন্ধ লিখে দিয়েছিলেন স্বয়ং রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর কাজী নজরুল ইসলামকে উৎসর্গ করে ‘বসন্ত’ নাটকটি লিখেছিলেন। ব্যাখ্যা: এই সাহিত্যিক উৎসর্গ দুই কবির মধ্যকার গভীর পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও বন্ধুত্বের এক অনন্য ঐতিহাসিক নিদর্শন। উদাহরণ ২: কাজী নজরুল ইসলামের ‘বিদ্রোহী’ কবিতাটি প্রকাশিত হওয়ার পর ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলনে নতুন জোয়ার সৃষ্টি হয়েছিল। ব্যাখ্যা: এই কবিতাটি তৎকালীন রাজনৈতিক ও সাহিত্যিক পরিমণ্ডলে ধূমকেতুর মতো আঘাত হেনেছিল এবং তরুণ সমাজকে উদ্দীপ্ত করেছিল। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কাজী নজরুল ইসলাম — সঠিক উত্তরটি কাজী নজরুল ইসলামের সঙ্গে সম্পর্কিত হলেও এই বিখ্যাত আশীর্বাণীটি তিনি নিজে লেখেননি, বরং রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর তাকে লিখে দিয়েছিলেন। B) শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় — শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় বাংলা সাহিত্যের একজন প্রখ্যাত কথাসাহিত্যিক হলেও ধূমকেতু পত্রিকাকে উদ্দেশ্য করে এই বিশেষ আশীর্বাণীটি তিনি রচনা করেননি। C) কাজী মোতাহর হোসেন — কাজী মোতাহর হোসেন নজরুলের ঘনিষ্ট বন্ধু ও বুদ্ধিজীবী হলেও এই নির্দিষ্ট উদ্ধৃতিটির রচয়িতা তিনি নন। D) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর — এই অপশনটি সঠিক কারণ বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরই ‘ধূমকেতু’ পত্রিকার জন্য এই আশীর্বাণীটি প্রদান করেছিলেন। ৫ মনে রাখার টিপস: - ধূমকেতু মানেই নজরুল, আর ধূমকেতুকে নিয়ে রবীন্দ্রনাথের আশীর্বাণী মানেই রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের বিখ্যাত পঙক্তি। - বিদ্রোহী কবি নজরুলকে রবীন্দ্রনাথ ভালোবেসে ‘অগ্নিকেতু’ বা ধূমকেতু হিসেবে অভ্যর্থনা জানিয়েছিলেন। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - ‘ধূমকেতু’ পত্রিকার প্রথম প্রকাশ হয়েছিল ১৯২২ সালে এবং এর প্রধান পরিচালক ছিলেন কাজী নজরুল ইসলাম। - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে কোন কবি নজরুলকে ‘ধূমকেতু’ বলে আশীর্বাদ করেছিলেন, যার সঠিক উত্তর রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0