প্রশ্নের বর্ণনা

a নবযুগ
b বিজলী
c ধূমকেতু
d লাঙল
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ধূমকেতু ১. কেন সঠিক: - ‘আনন্দময়ীর আগমনে’ কবিতাটি ব্রিটিশ বিরোধী আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে রচিত একটি বিখ্যাত বিদ্রোহী কবিতা, যা বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলামের লেখা। - ১৯২২ সালের ২৬ সেপ্টেম্বর প্রকাশিত ‘ধূমকেতু’ পত্রিকার দ্বাদশ সংখ্যায় এই কবিতাটি প্রকাশিত হওয়ার কারণে ব্রিটিশ সরকার পত্রিকাটির ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করে এবং কবির কারাদণ্ড হয়। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এই কবিতাটির রচয়ীতা জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম, যিনি বাংলা সাহিত্যে বিদ্রোহী কবি হিসেবে সমাদৃত ও পরিচিত। - ‘ধূমকেতু’ পত্রিকার প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান পরিচালক ছিলেন কাজী নজরুল ইসলাম নিজে, এবং এই পত্রিকাটির মুখপত্র হিসেবে কাজ করতেন তিনি। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: কাজী নজরুল ইসলামের ‘বিদ্রোহী’ কবিতা। ব্যাখ্যা: এটিও ‘বিজলী’ পত্রিকায় প্রকাশিত হয়ে বাংলা সাহিত্যে এক নতুন যুগ সৃষ্টি করেছিল। উদাহরণ ২: কাজী নজরুল ইসলামের ‘প্রলয়োল্লাস’ কবিতা। ব্যাখ্যা: এটি তাঁর বিখ্যাত ‘অগ্নিবীণা’ কাব্যগ্রন্থের প্রথম কবিতা, যা অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদের প্রতীক। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) নবযুগ — এটি কাজী নজরুল ইসলামের সহ-সম্পাদিত একটি সান্ধ্য দৈনিক পত্রিকা ছিল, যেখানে তাঁর অনেক প্রাবন্ধিক লেখা প্রকাশিত হয়েছিল কিন্তু ‘আনন্দময়ীর আগমনে’ কবিতাটি প্রকাশিত হয়নি। B) বিজলী — এই পত্রিকায় তাঁর বিখ্যাত ‘বিদ্রোহী’ কবিতাটি প্রকাশিত হয়েছিল, তবে ‘আনন্দময়ীর আগমনে’ কবিতাটি এই পত্রিকার জন্য নির্দিষ্ট ছিল না। D) লাঙল — এটি শ্রমিক ও কৃষকদের অধিকার আদায়ের জন্য প্রকাশিত একটি সাপ্তাহিক পত্রিকা ছিল, যা পরবর্তীতে প্রকাশিত হয়েছিল। ৫ মনে রাখার টিপস: - আনন্দময়ী অর্থাৎ মা দুর্গার আগমন বা মুক্তির বার্তা ধূমকেতুর লেজের মতো তেজদীপ্ত হয়ে ধূমকেতু পত্রিকায় প্রকাশিত হয়েছিল। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - ব্রিটিশ সরকারের নজরে পড়া এবং বাজেয়াপ্ত হওয়া ‘ধূমকেতু’ পত্রিকার সবচেয়ে আলোচিত সাহিত্যকর্ম হলো এই ‘আনন্দময়ীর আগমনে’ কবিতাটি।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0