প্রশ্নের বর্ণনা

a কল্লোল
b কালিকলম
c প্রগতি
d শিখা
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) শিখা ১. কেন সঠিক: - শিখা পত্রিকা ১৯২৬ সালের ১৯শে মার্চ ঢাকায় প্রতিষ্ঠিত মুসলিম সাহিত্য সমাজের মুখপত্র হিসেবে প্রথম প্রকাশিত হয়। - ঢাকা থেকে প্রকাশিত হওয়ার কারণে এটি বাংলার বুদ্ধিবৃত্তিক জাগরণে এবং মুক্তবুদ্ধির চর্চায় অনন্য ভূমিকা রেখেছিল। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - শিখা পত্রিকার মূল স্লোগান ছিল জ্ঞান যেখানে সীমাবদ্ধ, বুদ্ধি সেখানে আচ্ছন্ন, মুক্তি সেখানে অসম্ভব। - আবুল হোসেন ও কাজী আবদুল ওদুদের নেতৃত্বে গঠিত মুসলিম সাহিত্য সমাজ এই পত্রিকা প্রকাশের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িত ছিল। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: শিখা পত্রিকা ব্যাখ্যা: এটি ঢাকা থেকে প্রকাশিত বিশ শতকের তৃতীয় দশকের একটি বিখ্যাত বুদ্ধিবৃত্তিক মাসিক পত্রিকা। উদাহরণ ২: মুসলিম সাহিত্য সমাজ ব্যাখ্যা: এই সংগঠনের মুখপত্র ছিল শিখা পত্রিকা যা ঢাকার মুসলিম সমাজকে প্রগতিশীল করতে কাজ করেছিল। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কল্লোল — কল্লোল পত্রিকা ১৯২৩ সালে কলকাতা থেকে প্রকাশিত হয় এবং এর সঙ্গে বুদ্ধদেব বসু ও দীনেশ দাসের নাম জড়িত। B) কালিকলম — কালিকলম পত্রিকা ১৯২৬ সালে কলকাতা থেকে প্রকাশিত একটি আধুনিক সাহিত্যভিত্তিক পত্রিকা। C) প্রগতি — প্রগতি পত্রিকা ১৯২৭ সালে ঢাকা থেকে প্রকাশিত হলেও মূল বিকল্প হিসেবে শিখা অধিকতর ঐতিহ্যবাহী ও পরীক্ষাকেন্দ্রিক। D) শিখা — এটি সঠিক উত্তর কারণ প্রশ্নটি ঢাকা থেকে প্রকাশিত নির্দিষ্ট একটি ঐতিহাসিক পত্রিকার কথা নির্দেশ করে। ৫ মনে রাখার টিপস: - ঢাকায় জ্বলেছিল শিখা, তাই ঢাকা থেকে প্রকাশিত পত্রিকার প্রশ্নে শিখা নির্বাচন করবে। - শিখা পত্রিকার স্লোগান এবং প্রকাশের স্থান মনে রাখলে উত্তর ভুল হবে না। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - শিখা পত্রিকার প্রকাশকাল এবং এর স্লোগান বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বারবার আসে। - ঢাকা থেকে প্রকাশিত অন্যান্য প্রগতিশীল পত্রিকার নাম ও সম্পাদকের তালিকা আলাদা করে পড়ে রাখা ভালো।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0