প্রশ্নের বর্ণনা

a রবীন্দ্রনাথের নোবেল প্রাপ্তির বছর
b প্রথম বিশ্বযুদ্ধ গুরুর বছর
c দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ শেষের বছর
d মধুসূদনের ধর্মান্তরিত হওয়ার বছর
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) প্রথম বিশ্বযুদ্ধ গুরুর বছর কেন সঠিক: - সবুজপত্র পত্রিকা প্রকাশিত হয় ১৯১৪ সালের মে মাসে যা প্রথম বিশ্বযুদ্ধের শুরুর সমসাময়িক। - প্রমথ চৌধুরীর সম্পাদনায় প্রকাশিত এই পত্রিকার হাত ধরেই বাংলা সাহিত্যে চলিত রীতির আন্দোলন শুরু হয় এবং যুদ্ধের বৈশ্বিক অস্থিরতার সময়ে এটি সাহিত্যকে নতুন দিকনির্দেশনা দেয়। ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা: - সবুজপত্র বাংলা সাহিত্যে চলতি বা কথ্য রীতির প্রবর্তক হিসেবে বিশেষভাবে পরিচিত। - এই পত্রিকার মাধ্যমে বাংলা গদ্যে সাধু ভাষারীতির প্রচলন ভেঙে চলিত ভাষার প্রতিষ্ঠা লাভ করে। - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর এই পত্রিকায় তাঁর বহু বিখ্যাত গল্প, কবিতা ও প্রবন্ধ লিখে চলিত রীতির আন্দোলনকে সফল করেছিলেন। বাকি অপশন কেন ভুল: - A) রবীন্দ্রনাথের নোবেল প্রাপ্তির বছর — রবীন্দ্রনাথ নোবেল পান ১৯১৩ সালে যা সবুজপত্র প্রকাশের এক বছর আগের ঘটনা। - B) প্রথম বিশ্বযুদ্ধ শুরুর বছর — এই অপশনটি সঠিক কারণ বিশ্বযুদ্ধের সময়কালেই ১৯১৪ সালে পত্রিকাটি আত্মপ্রকাশ করে। - C) দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ শেষের বছর — দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ শেষ হয় ১৯৪৫ সালে যা সবুজপত্র প্রকাশের অনেক পরের ঘটনা। - D) মধুসূদনের ধর্মান্তরিত হওয়ার বছর — মাইকেল মধুসূদন দত্ত ১৮৪৩ সালে ধর্মান্তরিত হন যা সবুজপত্র প্রকাশের বহু আগের ঘটনা। মনে রাখার টিপস: - সবুজপত্র এসেছে ১৯১৪ সালে আর প্রথম বিশ্বযুদ্ধ শুরু হয়েছে ১৯১৪ সালে, তাই বিশ্বযুদ্ধ আর সবুজপত্র একই সূত্রে গাঁথা।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 181 0 0