প্রশ্নের বর্ণনা

a ঈশ্বরগুপ্ত
b দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুর
c দ্বিজেন্দ্রনাথ ঠাকুর
d বঙ্কিমচন্দ্র
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) দ্বিজেন্দ্রনাথ ঠাকুর ১. কেন সঠিক: - 'ভারতী' পত্রিকার প্রথম সম্পাদক ছিলেন দ্বিজেন্দ্রনাথ ঠাকুর। ১৮৭৭ সালের প্রথম বৈশাখ এই সাহিত্যপত্রিকাটি প্রকাশিত হয়। - জোড়াসাঁকোর ঠাকুর পরিবার থেকে প্রকাশিত এই পত্রিকাটি বাংলা সাহিত্য ও সমালোচনার ক্ষেত্রে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছিল। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - দ্বিজেন্দ্রনাথ ঠাকুর ছিলেন জোড়াসাঁকোর ঠাকুর পরিবারের একজন প্রতিভাবান সদস্য এবং মহর্ষি দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুরের জ্যেষ্ঠ পুত্র। তিনি একাধারে দার্শনিক, গণিতবিদ, কবি ও সংগীতজ্ঞ ছিলেন। - 'ভারতী' পত্রিকার প্রথম প্রকাশকাল ছিল ১২৮৪ বঙ্গাব্দের বৈশাখ মাস এবং এই পত্রিকার মাধ্যমে বহু নতুন লেখকের আত্মপ্রকাশ ঘটেছিল। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ব্যাখ্যা: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরও পরবর্তী সময়ে 'ভারতী' পত্রিকার সম্পাদনার দায়িত্ব পালন করেছিলেন এবং এই পত্রিকাতেই তাঁর বহু লেখা প্রকাশিত হয়। উদাহরণ ২: স্বর্ণকুমারী দেবী ব্যাখ্যা: দ্বিজেন্দ্রনাথ ঠাকুরের পর তাঁর বোন স্বর্ণকুমারী দেবী দীর্ঘদিন 'ভারতী' পত্রিকার সম্পাদনার কাজ অত্যন্ত সফলভাবে পরিচালনা করেছিলেন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ঈশ্বরগুপ্ত — ঈশ্বরগুপ্ত 'সংবাদ প্রভাকর' পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন, 'ভারতী' পত্রিকার সঙ্গে তাঁর কোনো সম্পর্ক নেই। B) দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুর — দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুর 'তত্ত্ববোধিনী' পত্রিকার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন, 'ভারতী' পত্রিকার প্রথম সম্পাদক তিনি ছিলেন না। C) দ্বিজেন্দ্রনাথ ঠাকুর — এটি সঠিক উত্তর, তিনি 'ভারতী' পত্রিকার প্রথম সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন। D) বঙ্কিমচন্দ্র — বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় 'বঙ্গদর্শন' পত্রিকার প্রতিষ্ঠাতা ও সম্পাদক ছিলেন, 'ভারতী' পত্রিকার সম্পাদক নন। ৫. মনে রাখার টিপস: - ভারতী পত্রিকার প্রথম সম্পাদক মনে রাখার সহজ কৌশল হলো ঠাকুর পরিবারের বড় ছেলে দ্বিজেন্দ্রনাথের নাম মনে রাখা। এভাবে মনে রাখতে পারো যে জোড়াসাঁকোর ঠাকুর পরিবারের হাত ধরেই এই পত্রিকার যাত্রা শুরু হয়েছিল। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিভিন্ন ঐতিহাসিক পত্রিকা এবং তাদের সম্পাদকের নাম প্রায়ই আসে। তাই 'ভারতী', 'বঙ্গদর্শন' এবং 'সংবাদ প্রভাকর' পত্রিকার সম্পাদকের নাম ভালোভাবে মুখস্থ রাখা জরুরি।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 181 0 0