প্রশ্নের বর্ণনা

a ইংরেজি শিক্ষা
b দেশ বিদেশে ঘুরে বেড়ানো
c সহশিক্ষা
d স্বদেশ প্রেম ও মানবতাবোধ
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) স্বদেশ প্রেম ও মানবতাবোধ ১. কেন সঠিক: - আধুনিকতার মূল ভিত্তি হলো সংকীর্ণতা মুক্ত হয়ে নিজের দেশের প্রতি ভালোবাসা এবং সমগ্র মানবজাতির প্রতি কল্যাণকামিতা বা মানবতাবোধ ধারণ করা। - প্রথাগত ও কূপমণ্ডূক চিন্তা থেকে বেরিয়ে এসে মুক্তবুদ্ধি ও বৈজ্ঞানিক দৃষ্টিভঙ্গি অর্জনই হলো আধুনিকতার প্রকৃত রূপ। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাংলা সাহিত্যে উনিশ শতকের নবজাগরণের হাত ধরে আধুনিকতার সূত্রপাত ঘটেছিল যেখানে যুক্তিবাদের পাশাপাশি দেশপ্রেম ও মানবতাবাদ মুখ্য হয়ে ওঠে। - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, কাজী নজরুল ইসলামসহ প্রগতিশীল সাহিত্যিকদের রচনায় স্বদেশ প্রেম ও মানবতাবোধ আধুনিক মননশীলতার প্রধান লক্ষণ হিসেবে প্রকাশিত হয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: কাজী নজরুল ইসলামের বিদ্রোহী কবিতা। ব্যাখ্যা: এই কবিতায় পরাধীনতার বিরুদ্ধে দ্রোহ এবং মানবমুক্তির জয়গান গাওয়ার মাধ্যমে আধুনিক মানবতাবোধের বহিঃপ্রকাশ ঘটেছে। উদাহরণ ২: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের শেষের কবিতা উপন্যাস। ব্যাখ্যা: অমিত রায়ের চরিত্রের মাধ্যমে সমাজের গতানুগতিক ধারাকে ভেঙে নতুন জীবনবোধ ও আধুনিক মানসিকতার রূপায়ন করা হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ইংরেজি শিক্ষা — এটি কেবল একটি বিদেশি ভাষা বা প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা অর্জনের মাধ্যম, যা স্বয়ংক্রিয়ভাবে আধুনিকতার একমাত্র মানদণ্ড হতে পারে না। B) দেশ বিদেশে ঘুরে বেড়ানো — এটি ভ্রমণ বা অভিজ্ঞতা অর্জনের বিষয়, যা আধুনিক মনন বা চিন্তার পরিপূরক হতে পারে কিন্তু আধুনিকতার মূল লক্ষণ নয়। C) সহশিক্ষা — এটি আধুনিক শিক্ষা ব্যবস্থার একটি গুরুত্বপূর্ণ ও প্রগতিশীল পদ্ধতি মাত্র, কিন্তু সামগ্রिक আধুনিকতার পুরো ধারণাটিকে এটি বহন করে না। D) স্বদেশ প্রেম ও মানবতাবোধ — এটি আধুনিকতার মূল লক্ষণ, যা মানুষের ভেতরের সংকীর্ণতা দূর করে উদারনৈতিক দৃষ্টিভঙ্গি তৈরি করে। ৫ মনে রাখার টিপস: - আধুনিকতার আসল অর্থ মন ও মননের মুক্তি। - তাই দেশের প্রতি ভালোবাসা এবং মানুষের প্রতি মমত্ববোধ থাকলেই কেবল প্রকৃত আধুনিক হওয়া যায়। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এই ধরনের মনস্তাত্ত্বিক ও সাহিত্যিক প্রশ্নের উত্তর দেওয়ার সময় প্রথাগত ধারণার চেয়ে গভীর জীবনবোধ ও মূল্যবোধকে প্রাধান্য দিতে হবে। - সমাজ ও সংস্কৃতির বিবর্তনে দেশপ্রেম ও মানবতাবোধ সবসময় আধুনিকতার সর্বজনস্বীকৃত মাপকাঠি হিসেবে বিবেচিত হয়।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0