প্রশ্নের বর্ণনা

a বেগম শামসুন নাহার মাহমুদ
b নূরজাহান বেগম
c বেগম ফয়জুন্নেসা
d বেগম সারা আহসান উল্লাহ
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) নূরজাহান বেগম ১. কেন সঠিক: বাংলাদেশ বা বিভাগোত্তর পূর্ব বাংলায় মহিলাদের সম্পাদনায় প্রকাশিত প্রথম নিয়মিত পত্রিকা হলো বেগম। এই পত্রিকার প্রতিষ্ঠাতা সম্পাদক ছিলেন নূরজাহান বেগম এবং এর প্রথম প্রকাশকাল ১৯৪৭ সালের ২০ জুলাই কলকাতার ৪৭ নম্বর মুকিমপুর লেন থেকে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: নূরজাহান বেগম ছিলেন উপমহাদেশের প্রখ্যাত সাংবাদিক ও সাহিত্যিক এবং সওগাত পত্রিকার সম্পাদক মোহাম্মদ নাসিরউদ্দীনের কন্যা। বেগম পত্রিকা পরবর্তীতে ১৯৫০ সালে ঢাকায় স্থানান্তরিত হয় এবং নারীদের সাহিত্যচর্চা ও অধিকার আদায়ের ক্ষেত্রে ঐতিহাসিক ভূমিকা পালন করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন সম্পাদিত সুলতানা স্বপ্ন ব্যাখ্যা: এটি নারীদের লেখা প্রথম নারীবাদী কল্পবিজ্ঞান রচনা হলেও এটি কোনো পত্রিকা ছিল না। উদাহরণ ২: মীর মশাররফ হোসেন সম্পাদিত আহামরি ব্যাখ্যা: এটি উনিশ শতকের একটি গুরুত্বপূর্ণ পত্রিকা হলেও এটি নারী সম্পাদিত ছিল না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বেগম শামসুন নাহার মাহমুদ — তিনি একজন বিশিষ্ট নারী সাহিত্যিক ও রাজনীতিবিদ হলেও বেগম পত্রিকার প্রতিষ্ঠাতা সম্পাদক ছিলেন না। B) নূরজাহান বেগম — এই অপশনটি সঠিক এবং তিনি বেগম পত্রিকার প্রথম সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন। C) বেগম ফয়জুন্নেসা — তিনি বাংলার প্রথম নারী শিক্ষানুরাগী ও দানশীল জমিদার হলেও কোনো পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন না। D) বেগম সারা আহসান উল্লাহ — তিনি ঢাকার নবাব পরিবারের সদস্য হলেও এই পত্রিকার সম্পাদক হিসেবে যুক্ত ছিলেন না। ৫ মনে রাখার টিপস: নারী সাংবাদিকতার নূর বা আলো ছড়ানোর কাজটি করেছিলেন নূরজাহান বেগম, তাই তার সম্পাদিত পত্রিকার নাম বেগম। বিভাগোত্তর পূর্ব বাংলায় নারীদের মুখপত্র হিসেবে বেগম পত্রিকার নাম সবসময় মনে রাখবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বেগম পত্রিকা কোন সালে প্রকাশিত হয় এবং এর প্রথম সম্পাদক কে, এই প্রশ্নটি প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বারবার আসে। একইভাবে মোহাম্মদী ও সওগাত পত্রিকার সম্পাদকের নামও ভালোভাবে আয়ত্ত করবে।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0