প্রশ্নের বর্ণনা

a রাজা রামমোহন রায়
b দীনবন্ধু মিত্র
c মাইকেল মধুসূদন দত্ত
d কাঙ্গাল হরিণাথ
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) কাঙ্গাল হরিণাথ ১. কেন সঠিক: - ‘গ্রামবার্তা প্রকাশিকা’ পত্রিকার প্রতিষ্ঠাতা ও সম্পাদক ছিলেন কাঙ্গাল হরিণাথ। - ঊনবিংশ শতাব্দীতে গ্রামীণ জনগণের ওপর জমিদার ও নীলকরদের অত্যাচার এই পত্রিকায় সাহসিকতার সঙ্গে তুলে ধরা হতো। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - কাঙ্গাল হরিণাথ, যার আসল নাম হরিণাথ মজুমদার, কুষ্টিয়ার কুমারখালীর একজন প্রখ্যাত সাংবাদিক ও বাউল সাধক ছিলেন। - ১৮৬৩ সালে তাঁর সম্পাদনায় ‘গ্রামবার্তা প্রকাশিকা’ পত্রিকাটি প্রথম প্রকাশিত হয় এবং পরবর্তীতে মীর মশাররফ হোসেন এই পত্রিকায় নিয়মিত লেখালেখি করতেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: কাঙ্গাল হরিণাথ সম্পাদিত পত্রিকা ‘গ্রামবার্তা প্রকাশিকা’। ব্যাখ্যা: এটি তৎকালীন সমাজের অনিয়ম ও শোষণের বিরুদ্ধে জোরালো ভূমিকা রেখেছিল। উদাহরণ ২: বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের সম্পাদনায় প্রকাশিত ‘বঙ্গদর্শন’ পত্রিকা। ব্যাখ্যা: এটি বাংলা সাহিত্য ও সমাজে এক নতুন যুগের সূচনা করেছিল। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) রাজা রামমোহন রায় — তিনি ব্রাহ্মসমাজ প্রতিষ্ঠা ও সমাজ সংস্কারের জন্য বিখ্যাত হলেও ‘গ্রামবার্তা প্রকাশিকা’ প্রকাশ করেননি। B) দীনবন্ধু মিত্র — তিনি ‘নীলদর্পণ’ নাটকের রচয়িতা, তবে ‘গ্রামবার্তা প্রকাশিকা’ পত্রিকার সঙ্গে তার সরাসরি প্রকাশনার সম্পর্ক ছিল না। C) মাইকেল মধুসূদন দত্ত — তিনি আধুনিক বাংলা সাহিত্যের প্রথম মহাকবি ও নাট্যকার, ‘গ্রামবার্তা প্রকাশিকা’ প্রকাশের সঙ্গে তিনি যুক্ত ছিলেন না। D) কাঙ্গাল হরিণাথ — এই অপশনটি সঠিক কারণ তিনি ১৮৬৩ সালে কুষ্টিয়া থেকে এই পত্রিকা প্রকাশ করেছিলেন। ৫ মনে রাখার টিপস: - কাঙ্গাল হরিণাথ ও গ্রামবার্তা প্রকাশিকা মনে রাখতে হরিণাথ নামটির সঙ্গে গ্রামীণ বার্তার সংযোগ মনে রাখা যায়। - সংবাদপত্রের নাম এবং সম্পাদকের নাম মনে রাখার সময় সাল ও স্থান নোট করে পড়া ভালো। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতায় ১৯ শতকের সংবাদপত্র ও সম্পাদকের নাম খুব ঘন ঘন আসে। - একই সঙ্গে মীর মশাররফ হোসেন ও কাঙ্গাল হরিণাথের সম্পর্ক এবং ‘গ্রামবার্তা প্রকাশিকা’ মুদ্রণযন্ত্রের ইতিহাস জেনে রাখা জরুরি।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0