প্রশ্নের বর্ণনা

a সবুজপত্র
b শনিবারের চিঠি
c ধূমকেতু
d কল্লোল
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ধূমকেতু ১. কেন সঠিক: বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলামের সম্পাদনায় প্রকাশিত 'ধূমকেতু' পত্রিকার উদ্বোধনী সংখ্যায় রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর একটি আশীর্বাণ বা অভিনন্দন বাণী পাঠিয়েছিলেন। 'চলেসিস মোর ডাক' এই শিরোনামের সেই বাণীতে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর নজরুলকে ধূমকেতুর মতো এসে আকাশ প্রদীপ্ত করার আহ্বান জানিয়েছিলেন। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: 'ধূমকেতু' বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে একটি যুগান্তকারী অর্ধসাপ্তাহিক পত্রিকা যা ১৯২২ সালের ১১ আগস্ট প্রকাশিত হয়। এই পত্রিকার প্রচ্ছদ ও পরিকল্পনা করেছিলেন স্বয়ং অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর এবং পত্রিকার প্রতিটি সংখ্যার শুরুতে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি বাণী বা কবিতা থাকত। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: কাজী নজরুল ইসলামের বিদ্রোহী কবিতাটি প্রথম 'ধূমকেতু' পত্রিকায় প্রকাশিত হয়। ব্যাখ্যা: এই কবিতাটি প্রকাশের মাধ্যমে বাংলা কবিতায় এক নতুন যুগের সূচনা ঘটেছিল এবং পত্রিকাটি তুমুল জনপ্রিয়তা লাভ করে। উদাহরণ ২: ধূমকেতু পত্রিকার মুখবন্ধে লেখা ছিল 'আমরা বাংলার ডাক পিয়ন'। ব্যাখ্যা: এই বাক্যের মাধ্যমে পত্রিকার বিদ্রোহী ও জনগণের পক্ষে কথা বলার সাহসিক মনোভাব প্রকাশ পেয়েছিল। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সবুজপত্র — এটি প্রমথ চৌধুরীর সম্পাদনায় ১৯১৪ সালে প্রকাশিত বাংলা চলিত রীতির বাহন হিসেবে পরিচিত পত্রিকা। B) শনিবারের চিঠি — এটি সজনীকান্ত দাসের সম্পাদনায় ১৯২৪ সালে প্রকাশিত একটি বিখ্যাত সাহিত্যিক ও কৌতুকরসাত্মক পত্রিকা। D) কল্লোল — এটি দীনেশচন্দ্র দাসের সম্পাদনায় ১৯২৩ সালে প্রকাশিত আধুনিকতাবাদী সাহিত্য আন্দোলনের অগ্রপথিক পত্রিকা। ৫. মনে রাখার টিপস: নজরুলের তেজস্বী মুখপত্র ছিল ধূমকেতু এবং রবীন্দ্রনাথ তাকে আকাশে ধূমকেতুর মতো আগুন জ্বালানোর আশীর্বাদ করেছিলেন। পরীক্ষায় নজরুলের পত্রিকার নাম আসলে এবং রবীন্দ্রনাথের আশীর্বাণীর কথা থাকলে চোখ বন্ধ করে ধূমকেতু উত্তর করবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় কাজী নজরুল ইসলাম ও তাঁর সম্পাদিত পত্রিকা সম্পর্কিত প্রশ্ন প্রায়ই আসে। ধূমকেতু পত্রিকার প্রথম প্রকাশকাল এবং রবীন্দ্রনাথের দেওয়া বাণীর ইতিহাস ভালোভাবে মনে রাখবে।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0