প্রশ্নের বর্ণনা

a 1930
b 1920
c 1922
d 1932
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ১৯২২ ১. কেন সঠিক: 'ধুমকেতু' পত্রিকার প্রথম প্রকাশকাল ১৯২২ সাল। বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলাম এই অর্ধসাপ্তাহিক পত্রিকাটির প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান সম্পাদক ছিলেন। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: 'ধুমকেতু' পত্রিকা ১৯২২ সালের ১২ই আগস্ট প্রথম প্রকাশিত হয়। এই পত্রিকার প্রথম পাতার প্রচ্ছদ এঁকেছিলেন প্রখ্যাত চিত্রশিল্পী অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর এবং রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর এর একটি বাণী বা আশীর্বাণী দিয়েছিলেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: 'অগ্নিবীণা' কাব্যগ্রন্থ ব্যাখ্যা: কাজী নজরুল ইসলামের প্রথম প্রকাশিত ও বিখ্যাত বাংলা কাব্যগ্রন্থ যা ১৯২২ সালে প্রকাশিত হয়। উদাহরণ ২: 'লাঙল' পত্রিকা ব্যাখ্যা: কাজী নজরুল ইসলামের সম্পাদনায় প্রকাশিত আরেকটি বিখ্যাত রাজনৈতিক ও সাহিত্য বিষয়ক সাপ্তাহিক পত্রিকা। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৯৩০ — এই সালে কাজী নজরুল ইসলামের কোনো বিখ্যাত পত্রিকা প্রকাশিত হয়নি, তাই এটি সঠিক নয়। B) ১৯২০ — এই সালে নজরুল সম্পাদিত কোনো পত্রিকা প্রকাশিত হয়নি, বঙ্গীয় মুসলিম সাহিত্য সমিতি ও অন্যান্য কাজের সঙ্গে তিনি যুক্ত ছিলেন। D) ১৯৩২ — এই সালে 'ধুমকেতু' প্রকাশিত হয়নি, কারণ এর প্রকাশকাল ছিল ১৯২২ সাল। ৫. মনে রাখার টিপস: বিদ্রোহী কবি নজরুলের বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ 'অগ্নিবীণা' এবং সম্পাদিত পত্রিকা 'ধুমকেতু' উভয়ই ১৯২২ সালে প্রকাশিত হয়। সালটি মনে রাখা প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত জরুরি। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: 'ধুমকেতু' পত্রিকার যুগবাণী প্রবন্ধের জন্য নজরুলের বিরুদ্ধে রাজদ্রোহের মামলা হয়েছিল। বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় পত্রিকার সম্পাদকের নাম ও প্রকাশকাল প্রায়ই আসে।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0