প্রশ্নের বর্ণনা

a মোহাম্মদ নাসির উদ্দিন
b আবুল কালাম শামসুদ্দিন
c কাজী আব্দুল ওদুদ
d সিকান্দার আবু জাফর
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) মোহাম্মদ নাসির উদ্দিন ১. কেন সঠিক: - মোহাম্মদ নাসির উদ্দিন ছিলেন বিখ্যাত সাহিত্য পত্রিকা 'সওগাত'-এর প্রতিষ্ঠাতা এবং দীর্ঘকালের সম্পাদক। - ১৯১৮ সালে কলকাতা থেকে সওগাত পত্রিকা প্রথম প্রকাশিত হয় এবং বাংলা মুসলমান সমাজের সাহিত্যচর্চায় এটি যুগান্তকারী ভূমিকা পালন করে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - মোহাম্মদ নাসির উদ্দিন বাংলার মুসলিম সমাজে আধুনিক সাহিত্য ও মুক্তবুদ্ধির চর্চা প্রসারে অগ্রণী ভূমিকা পালন করেছিলেন। - সওগাত পত্রিকায় কাজী নজরুল ইসলামের বহু রচনা প্রকাশিত হয় এবং নজরুল ইসলামের সাথে তাঁর গভীর ও ঐতিহাসিক সুসম্পর্ক ছিল। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: 'সওগাত' পত্রিকা ব্যাখ্যা: এই পত্রিকার মাধ্যমে অনেক নবীন লেখক ও মুসলিম নারী সাহিত্যিক সাহিত্যজগতে আত্মপ্রকাশ করেন। উদাহরণ ২: 'বেগম' পত্রিকা ব্যাখ্যা: নারীদের সাহিত্যচর্চা উৎসাহিত করতে মোহাম্মদ নাসির উদ্দিন ১৯৪৭ সালে সওগাত পত্রিকার পাশাপাশি 'বেগম' পত্রিকাও সম্পাদনা শুরু করেন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) মোহাম্মদ নাসির উদ্দিন — এটি সঠিক উত্তর কারণ তিনি সওগাত পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন। B) আবুল কালাম শামসুদ্দিন — তিনি একজন প্রখ্যাত সাংবাদিক ও সাহিত্যিক হলেও সওগাত পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন না। C) কাজী আব্দুল ওদুদ — তিনি 'বুদ্ধির মুক্তি আন্দোলন'-এর অন্যতম প্রবক্তা ও লেখক ছিলেন, সওগাত পত্রিকার সম্পাদক নন। D) সিকান্দার আবু জাফর — তিনি বিখ্যাত সাহিত্য পত্রিকা 'সমকাল'-এর প্রতিষ্ঠাতা ও দীর্ঘকালীন সম্পাদক ছিলেন। ৫. মনে রাখার টিপস: - নাসির ও সওগাত মনে রাখার জন্য সূত্র হলো নাসির মানে জয়, আর সওগাত মানে উপহার, অর্থাৎ সাহিত্য জগতের জয়ের উপহার দিয়েছিলেন মোহাম্মদ নাসির উদ্দিন। - সওগাত পত্রিকার সম্পাদক হিসেবে মোহাম্মদ নাসির উদ্দিনের নাম প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় অত্যন্ত ঘন ঘন আসে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - সওগাত পত্রিকা প্রথম প্রকাশিত হয় ১৯১৮ সালে এবং এর সাথে কাজী নজরুল ইসলামের নাম বিশেষভাবে জড়িত। - একই সাথে বেগম পত্রিকার সম্পাদক হিসেবেও মোহাম্মদ নাসির উদ্দিনের নাম মনে রাখা আবশ্যক।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0