প্রশ্নের বর্ণনা

a সাহিত্য
b কল্লোল
c সবুজপত্র
d কালিকলম
0 10 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সবুজপত্র ১. কেন সঠিক: প্রমথ চৌধুরীর সম্পাদনায় ১৯১৪ সালের এপ্রিল মাসে প্রকাশিত 'সবুজপত্র' পত্রিকার মাধ্যমেই বাংলা সাহিত্যে বীরবলী বা চলিত রীতির সফল প্রবর্তন ও প্রচার ঘটে। এই পত্রিকার মাধ্যমে প্রমথ চৌধুরী ও তার অনুসারী লেখকরা সাধু রীতির কৃত্রিমতা বর্জন করে কথ্য বা চলিত ভাষাকে লেখার বাহন হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেন। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: প্রমথ চৌধুরী ছিলেন বাংলা সাহিত্যে আধুনিক মননশীল প্রবন্ধের প্রবক্তা এবং 'বীরবল' ছদ্মনামে তিনি লেখালেখি করতেন। 'সবুজপত্র' পত্রিকা বাংলা সাহিত্যকে গুরুগম্ভীর সাধু ভাষার বন্ধন থেকে মুক্ত করে হালকা, সজীব ও বুদ্ধিদীপ্ত চলিত রীতিতে লেখার অনুপ্রেরণা জুগিয়েছিল। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: প্রমথ চৌধুরীর 'বীরবল' ছদ্মনামে লেখা বিখ্যাত প্রবন্ধগ্রন্থ 'বীরবলের হালখাতা'। ব্যাখ্যা: এই গ্রন্থে তার চলিত রীতির গদ্যশৈলী ও মননশীল চিন্তার পূর্ণ প্রকাশ ঘটেছে। উদাহরণ ২: প্রমথ চৌধুরীর অন্য একটি বিখ্যাত প্রবন্ধগ্রন্থ 'সোনালী তন্তু'। ব্যাখ্যা: এটিও সবুজপত্র রীতি বা চলিত ভাষার অনন্য সাহিত্যিক নিদর্শন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সাহিত্য — এটি প্রমথ চৌধুরীর 'বীরবলী' রীতির প্রচার মাধ্যম ছিল না বরং এটি অন্য একটি প্রাচীন সাহিত্য পত্রিকা। B) কল্লোল — এটি ১৯২৩ সালে প্রকাশিত একটি প্রগতিশীল সাহিত্য পত্রিকা, যা মূলত আধুনিকতার ও রোমান্টিকতার বাহন ছিল। D) কালিকলম — এটি একটি সাহিত্য পত্রিকা যা সবুজপত্র বন্ধ হওয়ার পরে প্রকাশিত হয়েছিল এবং বুদ্ধদেব বসুসহ অন্য লেখকদের সাথে যুক্ত ছিল। ৫ মনে রাখার টিপস: প্রমথ চৌধুরী মানেই 'সবুজপত্র' এবং 'বীরবলী' বা চলিত রীতি। সবুজ রঙের পাতার মতো এই পত্রিকা বাংলা ভাষাকে সজীব ও আধুনিক করে তুলেছে এভাবে মনে রাখতে পারো। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: সবুজপত্র পত্রিকার প্রকাশের সাল ১৯১৪ এবং এর সম্পাদক প্রমথ চৌধুরী, যা বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে। চলিত রীতির জনক বা প্রবক্তা হিসেবেও প্রমথ চৌধুরীর নাম মনে রাখা জরুরি।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 181 0 0